ঢাকা শুক্রবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ১৩ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়

ঢাকায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫৯ এ.এম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
Link Copied!

ফাইল ছবি

ভারতে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে ঢাকায় সফরকালে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা বলছে, যারা প্রতিবেশী দেশে আগ্রাসন চালায়, তাদের মুখে অন্যের হস্তক্ষেপ নিয়ে কথা বলা মানায় না।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসিতে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাশিয়া এমন একটি দেশ, যারা দুই প্রতিবেশী দেশে আগ্রাসন চালিয়েছে। স্কুল, হাসপাতাল ও আবাসিক ভবনে তারা নিয়মিত বোমা হামলা চালাচ্ছে। অন্য দেশের নির্দেশনা চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়ে তাদের কথা বলা উচিত নয়। সের্গেই লাভরভ যা বলেছেন, সেটি তার সুচিন্তিত মন্তব্য নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সম্পর্কে বলব, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ উভয়ের লক্ষ্য একটি অবাধ, মুক্ত, সংযুক্ত, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও প্রাণবন্ত ইন্দো–প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলো। এটাই আমাদের প্রশান্ত মহাসাগরীয় কৌশলের উদ্দেশ্য। এটাই আমাদের অবস্থান।

আরেক প্রশ্নের জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, সাংবাদিকদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে জবাবদিহি আদায় নিশ্চিতের সুযোগ দিতে হবে। তাদের অবশ্যই হয়রানি, সহিংসতা বা ভয়ভীতি ছাড়া কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। সরকারকে জবাবদিহি রাখার লক্ষ্যে কাজ করা সাংবাদিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের পদ্ধতিগত ও নিপীড়নমূলক আচরণে আমরা উদ্বিগ্ন।

উল্লেখ্য, ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় আসেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। এরপর রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন তিনি।

ওই সংবাদ সম্মেলনে লাভরভ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চাপের পরও বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে চলেছে, যা প্রশংসনীয়।

তিনি আরও বলেন, ভারত মহাসাগরীয় কৌশলের নামে তাদের (যুক্তরাষ্ট্র) লক্ষ্য চীনকে প্রতিহত ও রাশিয়াকে একঘরে করে ফেলা, যা কার্যত বৈশ্বিক পরিসরে ন্যাটোর সম্প্রসারণেরই অংশ।