ঢাকা শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাঠালিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ বাণিজ্য অভিযোগ: নীরব ভূমিকা জেলা কর্মকর্তারা

কলমের কণ্ঠস্বর ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:০৭ এ.এম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
Link Copied!

কাঠালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন এর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
কাঠালিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ বাণিজ্য ও দালালের নিয়ন্ত্রণে অফিস এবং অফিস ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে: নীরব ভূমিকা জেলা কর্মকর্তারা। ঝালকাঠি জেলার উপজেলা কাঁঠালিয়া মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও জেলা ঝালকাঠি মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ” কাঠালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন তার সাথে রয়েছেন আরো দুই কর্মকর্তা মোঃ নাছির উদ্দিন আহমেদ ক্ষেত্র সহকারী এই পদে আছেন। মোঃ জাকির হোসেন মল্লিক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এই পদে আছেন এই অফিসের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে বলেন, তিনি জানান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ২০২২-২৩ অর্থ বছরে কাঠালিয়া উপজেলার পোনা মাছ অবমুক্তকরণের সরকারী বিধান অমান্য করে গোপনীয়তার মাধ্যমে কথিত ঘুপচি কোটেশন এর মাধ্যমে বর্তমান বাজার দর ১৪০ টাকায় ক্রয় না করে তার নিজের পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ দিয়ে দ্বীগুণ দামে প্রতি কেজি ২৮০ টাকা দরে ৩৫৭ কেজি মাছের পোনা ক্রয় করেন। সেগুলো তিনি বিভিন্ন জলাশয়ে অবমুক্ত করেন। সরকারী বিধি মোতাবেক মৎস্যজীবিদের অনুদান ও সাহায্য প্রদানের বিষয়েও তিনি নানা দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন। একই পরিবারের কয়েকজন সদস্যদের কাছ থেকে মাছের পোনা ক্রয় করেন এবং এ অর্থ বছরের সরকারী তিনটি প্রকল্পের টাকা ও বিভিন্ন অনুদান হিসাবে ছাগল, জাল, গরু দিয়ে তাদের সহায়তা করে খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মৎস্য কর্মকর্তার এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে কাঠালিয়া প্রকৃত মৎস্যজীবিদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে মৎস্য কর্মকর্তার সাথে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। কাঁঠালিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যোগদানের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। মৎস্য চাষের জন্য এ উপজেলা বাংলাদেশের মধ্যে মডেল উপজেলা। শামুক প্রজেক্ট-২ এর আওতায় কাঠালিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ২টি করে প্রদর্শনী পুকুর রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন তিনি যোগদানের পর থেকে প্রতিটি প্রদর্শনী পুকুরের জন্য বরাদ্ধকৃত ২০ হাজার টাকার মধ্যে চাষীদের মাত্র ১০ হাজার টাকা দিয়ে বাকি আত্মসাৎ করে চলেছেন।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায় ২০২২-২৩ সালের প্রদর্শনী পুকুরে মাঠ দিবস না করে, মাঠ দিবসের জন্য বরাদ্ধকৃত সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন না করে ভুয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করছেন কর্মকর্তারা
এ সকল অভিযোগের বিষয়ে জানান কোন মাঠ দিবস হয়নি।
ঝালকাঠি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তী ঘোষ এর কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি মাঠ দিবস করেছি ও চাষিদেরকে সরকারি ভ্যাট বাদে বাকি টাকার খাদ্য ও পোনা দিয়েছি।
ঝালকাঠি জেলা মৎস্য কমর্কর্তা কাছে একাধিক বার বিভিন্নরকম ইলেকট্রনিক প্রিন্ট মিডিয়া অভিযোগ দিলে-ও কোনো কোন ব্যবস্থা নেয়নি কাঠালিয়া উপজেলা মৎস্য কমকর্তা সহ মোঃ নাছির ক্ষেত্র সহকারী, মোঃ জাকির হোসেন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর তারা – গরু- দেবার কথা বলে – ১০০০০ টাকা নেয়- ছাগলে ৫০০০ টাকা – হাস মুরগী – ৫০০০ জাল- ১০০০ চালসহ ৫০০ বিভিন্ন প্রকল্প কাজ না করে টাকা টাকা হাতিয়ে নেয় এ জানো দেখার মতন কেউ নেই অফিস না যেন নিজের বাড়ি মনেই কাজ করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই মৎস্য কর্মকর্তা রুহুল আমিন রুহুল আমিন জেলেদের সাথে খারাপ আচরণ ও দুর্নীতি করায় তার কাজ জেলে কাড দেবার কথা বলে ১০০০ টাকা করে নেয় মোঃ জাকির হোসেন ।
বিস্তারিত আসছে আগামী পর্বে…………….