ঢাকা শুক্রবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ১৩ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়

যমুনায় তিন দফা পানি বৃদ্ধিতে ৫ কোটি টাকার ফসল নষ্ট

কলমের কণ্ঠস্বর ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:৩৯ এ.এম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
Link Copied!

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জে তিন দফায় যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ করতোয়া, ফুলজোড়, ইছামতি, হুড়া সাগর ও বড়াল নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। এর ফলে নিম্নাঞ্চলসহ সব ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এতে এ জেলার ২০৪ হেক্টর জমির প্রায় ৫ কোটি টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে তিন দফায় পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত হয় সিরাজগঞ্জের নিম্নাঞ্চল। যমুনা নদী চর অধ্যুষিত সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর এবং চলবিল অধ্যুষিত তাড়াশ ও উল্লাপাড়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার অন্তত ৪২টি ইউনিয়নের ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এতে ক্ষতি হয় কৃষি ও কৃষকের। রোপা আমন, বোনা আমন, আমনের বীজতলা, আগাম শীতকালীন সবজি, আউশ, মাসকালাই, কলা ও আখসহ বেশ কয়েকটি ফসলের বেশি ক্ষতি হয়।

চলতি বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাজিপুর উপজেলার ফসল। এক উপজেলাতেই ১১১ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

এ সব জমি প্রস্তুত করা, বীজ লাগানো, সার ও কীটনাশক কিনে জমিতে দেওয়া এবং শ্রমিক বাবদ প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। জেলার ৪ হাজার ১৫১ জন ফসল তলিয়ে যাওয়ায় মূলধন সংকটে পড়েছেন কৃষকেরা, এমনই বলছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) বাবলু কুমার সূত্রধর বলেন, চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর দুই মাসে দফায় দফায় যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বেড়ে ৯৫২ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এর মধ্যে ২০৪ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে। আশা করি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনার আওতায় আনা সম্ভব হবে।