ঢাকা শনিবার, ২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়

কেরানীগঞ্জ রোহিতপুর ভূমি কর্মকর্তা আক্কাস আলীর বিরুদ্বে দূর্নীতি ঘুষ- বানিজ্যের অভিযোগ!

কলমের কণ্ঠস্বর ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৩১ এ.এম, ১৫ অক্টোবর ২০২৩
Link Copied!

এবার দুর্নীতি ও ঘুষখোর তসলিমদের আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন মানবাধিকার সংবাদ ও সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির কর্তৃপক্ষরা। ভূমি মন্ত্রণালার অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোদয়”কে বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে মানবাধিকার পক্ষ থেকে জনস্বার্থে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার রোহিতপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তসিলদার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আক্কাস আলী খান এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেবা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন এমন ব্যক্তির সংখ্যা কম নয়। অভিযোগে জানা যায়, রোহিতপুর ভূমি অফিসে যোগদান করার পর থেকেই কর্মকর্তা মো. আক্কাস আলী খান সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি শুরু করেছেন। সরেজমিে দেখা যায়, মো. আক্কাস আলী খান ভলিয়ম বইতে নথি দেখছেন। তাঁকে ঘিরে জনাবিশেক মানুষের জটলা। সেখানে সেবাগ্রহীতাদের কাগজপত্র যাচাই করছেন মীর হাবিবুর রহমান, জাহিদ হোসেন, জিসান ও রিপন। তাঁরা কেউই ওই অফিসের কর্মচারী নন। স্থানীয় লোকজনের কাছে উমেদার নামে পরিচিত হলেও মূলত তাঁরা ‘দালাল’। রোহিতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘিরে তৎপর এমন দালালের সংখ্যা অন্তত ৩০ জন। তাঁদের কাজ ভূমি অফিসের কর্মচারীদের যোগসাজশে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করা। এমনকি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রও থাকে তাঁদের জিম্মায়। শুধু রোহিতপুর নয়, দেশের প্রায় সব ভূমি অফিসেরই একই চিত্র। ঘুষ ছাড়া সেবা মেলে না কোথাও। সেখানে পা বাড়ালে জমির মালিকদের জন্য পদে পদে অপেক্ষা করে হয়রানি। এ জন্য অনেকে ভূমি অফিস এড়িয়ে চলতে চান। জরুরি প্রয়োজনে দালালেরাই হয়ে ওঠেন সমাধান। গ্রাম এলাকায় জমির কাগজসংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা সমাধানে প্রথমেই যেতে হয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। পরের ধাপে সেবা দেয় উপজেলা ভূমি অফিস। ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন এসব অফিসের দেওয়া সেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে—ভূমিহীনদের মাঝে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত, খতিয়ানের ভুল সংশোধন, নামজারি ও জমাভাগ, ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণীর আপত্তি-নিষ্পত্তি, দেওয়ানি আদালতের রায় বা আদেশমূলে রেকর্ড সংশোধন, ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন নিষ্পত্তি, জমা একত্রকরণ ও বিবিধ কেসের আদেশের নকল বা সার্টিফায়েড কপি প্রদান ইত্যাদি। সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে দালালেরা যে টাকা নেন, তা ভাগ-বাঁটোয়ারাও হয় নানা ধাপে। ভূমি অফিসে নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তোলা সহ সকল কাজে সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে অনৈতিকভাবে বাড়তি টাকা নেয়া হচ্ছে। চুক্তির টাকা ছাড়া কোনো ফাইলই নড়ে না। তার দুর্নীতির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ভুমি মালিকেরা। ভূমি কর্মকর্তা মো. আক্কাস আলী দুর্নীতি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন সাধারণ জনগণ ও নিরীহ মানুষের নিকট হতে। ঘুষখোর এই ভূমি কর্মকর্তা তাঁর ইচ্ছামত দুর্নীতি করে চলেছেন। এদিকে জানা গেছে, কেরানীগঞ্জ ভূমি অফিসে তৎপর এক দালাল জানান, ঘুষের টাকার ৫০ শতাংশই পান ভুমিকর্মকর্তা আক্কাস আলীর, ৩০ শতাংশ কানুনগো, সার্ভেয়ার ও নামজারি সহকারী, আর ২০ শতাংশ পান দালাল।’ এই সিস্টেমগুলো জেলা, উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দেব।’ভূমি অফিসগুলোয় সেবা পেতে কী কী ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয় তা জানতে সরেজমিনে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘুরে দেখেছেন দখিনের ক্রাইম পত্রিকার প্রতিবেদকরা। প্রায় প্রতিটি ভূমি অফিসেই ঘুষ লেনদেন, চরম ভোগান্তি ও দালালের দৌরাত্ম্য চোখে পড়েছে তাঁদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ভুমি মালিকেরা বলেন, তার দাবিকৃত ঘুষের অর্থ দিতে অস্বীকার করলে নানা টালবাহানা করে জমির মালিকদের হয়রানি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে মানবাধিকার সংবাদ ও সংস্কার কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মো: রেদওয়ান শিকদার রনি দৈনিক সত্যের আলোকে জানান দুর্নীতিবাজ ঘুষ-খোর তসিলদার আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ দিব খুব দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার বিরুদ্ধে আরো বলেন ভূমি মন্ত্রণালার অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোদয়”কে বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে মানবাধিকার পক্ষ থেকে জনস্বার্থে।

ভুক্তভোগীদের দাবী এই দুর্নীতিবাজ ভুমিকর্মকর্তা আক্কাস আলীর দুর্নীতি রোধে দুদকের সু-হস্তক্ষেপ জরুরী ।
(বিস্তারিত ধারাবাহিক তো চলবে…………!