ঢাকা শনিবার, ২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়

কিশোরগঞ্জ পৌর ভূমি কর্মকর্তার মুহাম্মদ শামসুল হক বিরুদ্বে দূর্নীতি ঘুষ-বানিজ্যের অভিযোগ: পুড়ো অফিস দালালের দৌরাত্ম্য!

রনি
প্রকাশিত: ৯:২৯ এ.এম, ২ নভেম্বর ২০২৩
Link Copied!

কিশোরগঞ্জ সদর পৌর ভূমি অফিস দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত খবর মিলছে ভূক্তভোগী শাহ-আলম কাছ থেকে। ওই অফিসের উপ-সহকারি কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হক টাকা ছাড়া কোন কাজই করেন না। ভূমি সংক্রান্ত যেকোন সেবার বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। এই অফিসে গ্রাহকদের হয়রানি নিত্তনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিশোরগঞ্জ পৌরসভা গৌরাঙ্গ বাজার রোড অবস্থিত ভূমি অফিস নিয়ে এবার দুর্নীতি ও ঘুষখোর উপ-সহকারি কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হক বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন মানবাধিকার সংবাদ ও সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির কর্তৃপক্ষরা। ভূমি মন্ত্রণালার আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে মানবাধিকার পক্ষ থেকে জনস্বার্থে। ভূক্তভোগী শাহ-আলম গণমাধ্যম”কে জানান আমার একটি রেকর্ডের কাজ করার জন্য আমার কাজ থেকে ২২০০০ বাইশ হাজার টাকা নিয়েছে উপ-সহকারি কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হকের লোক জন। আমার কাজ করে দিয়েছে টাকার মিনিময়। ঘুষের টাকা যত বেশি দেয় তার কাজ আগে হয় ।

কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ভূমি অফিসের উপ-সহকারি কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হক এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেবা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন এমন ব্যক্তির সংখ্যা কম নয়। অভিযোগে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ভূমি অফিসে যোগদান করার পর থেকেই কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হক সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি শুরু করেছেন। সরেজমিে দেখা যায়, মুহাম্মদ শামসুল হক ভলিয়ম বইতে নথি দেখছেন। তাঁকে ঘিরে জনাবিশেক মানুষের জটলা। সেখানে সেবাগ্রহীতাদের কাগজপত্র যাচাই করছেন হাবিবুর রহমান, জহির হোসেন, রানা ও সোহেল। তাঁরা কেউই ওই অফিসের কর্মচারী নন। স্থানীয় লোকজনের কাছে উমেদার নামে পরিচিত হলেও মূলত তাঁরা ‘দালাল’। কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ভূমি অফিস ঘিরে তৎপর এমন দালালের সংখ্যা অন্তত ২৫ জন। তাঁদের কাজ ভূমি অফিসের কর্মচারীদের যোগসাজশে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করা। এমনকি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রও থাকে তাঁদের জিম্মায়। শুধু কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ভূমি অফিস নয়, দেশের প্রায় সব ভূমি অফিসেরই একই চিত্র। ঘুষ ছাড়া সেবা মেলে না কোথাও। সেখানে পা বাড়ালে জমির মালিকদের জন্য পদে পদে অপেক্ষা করে হয়রানি। এ জন্য অনেকে ভূমি অফিস এড়িয়ে চলতে চান। জরুরি প্রয়োজনে দালালেরাই হয়ে ওঠেন সমাধান। গ্রাম এলাকায় জমির কাগজসংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা সমাধানে প্রথমেই যেতে হয় কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ভূমি অফিসে। পরের ধাপে সেবা দেয় উপজেলা ভূমি অফিস। ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন এসব অফিসের দেওয়া সেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে—ভূমিহীনদের মাঝে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত, খতিয়ানের ভুল সংশোধন, নামজারি ও জমাভাগ, ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণীর আপত্তি-নিষ্পত্তি, দেওয়ানি আদালতের রায় বা আদেশমূলে রেকর্ড সংশোধন, ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন নিষ্পত্তি, জমা একত্রকরণ ও বিবিধ কেসের আদেশের নকল বা সার্টিফায়েড কপি প্রদান ইত্যাদি। সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে দালালেরা যে টাকা নেন, তা ভাগ-বাঁটোয়ারাও হয় নানা ধাপে। ভূমি অফিসে নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায় ডাবল , জমির পর্চা- উঠানো ৫০০ শত (খসড়া) তোলা সহ সকল কাজে সরকারি ৫- ১০-১২ – ১৫ – ২০ হাজার টাকা লাগে নিয়মকে তোয়াক্কা না করে অনৈতিকভাবে বাড়তি টাকা নেয়া হচ্ছে। চুক্তির টাকা ছাড়া কোনো ফাইলই নড়ে না। তার দুর্নীতির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ভুমি মালিকেরা। ভুমি-কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হক দুর্নীতি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন সাধারণ জনগণ ও নিরীহ মানুষের নিকট হতে। ঘুষখোর এই ভূমি কর্মকর্তা তাঁর ইচ্ছামত দুর্নীতি করে চলেছেন। এদিকে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ভূমি অফিসে তৎপর এক দালাল জানান, ঘুষের টাকার ৫০ শতাংশই পান ভুমিকর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হক, ৩০ শতাংশ কানুনগো, সার্ভেয়ার ও নামজারি সহকারী, আর ২০ শতাংশ পান দালাল।’ এই সিস্টেমগুলো জেলা, উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দেব।’ভূমি অফিসগুলোয় সেবা পেতে কী কী ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয় তা জানতে সরেজমিনে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ভূমি অফিস ঘুরে দেখেছেন দখিনের ক্রাইম পত্রিকার প্রতিবেদকরা। প্রায় প্রতিটি ভূমি অফিসেই ঘুষ লেনদেন, চরম ভোগান্তি ও দালালের দৌরাত্ম্য চোখে পড়েছে তাঁদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ভুমি মালিকেরা বলেন, তার দাবিকৃত ঘুষের অর্থ দিতে অস্বীকার করলে নানা টালবাহানা করে জমির মালিকদের হয়রানি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে মানবাধিকার সংবাদ ও সংস্কার কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মো: রেদওয়ান শিকদার রনি গণমাধ্যম”কে জানান দুর্নীতিবাজ ঘুষ-খোর উপ-সহকারি কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হক বিরুদ্ধে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ দিব খুব দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার বিরুদ্ধে আরো বলেন ভূমি মন্ত্রণালার বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে মানবাধিকার এবং-পক্ষ থেকে জনস্বার্থে। উপ-সহকারি কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হকের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদে দোহাই দেয়ে থাকেন এবং আর কোন উত্তর দেয়না। এ বিষয় কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক জানতে চাইলে তিনি বলেন দুর্নীতির সাথে যে জরিত আছে কাউকে ছাড় দেবনা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি ।

ভুক্তভোগীদের দাবী এই দুর্নীতিবাজ ভুমিকর্মকর্তা উপ-সহকারি কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল হক দুর্নীতি রোধে দুদকের সু-হস্তক্ষেপ জরুরী।
(বিস্তারিত ধারাবাহিক তো চলবে…………!