ঢাকা রবিবার, ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়

রাজধানীর লালবাগ ট্রাফিক এর ডিসির নাকের ডগায় চলছে অবৈধ অটোরিকশা”সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহ করতে বাধা দেয়ার হুশিয়ার দিলেন ডিসি

কলমের কণ্ঠস্বর ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:৪১ পি.এম, ৩ নভেম্বর ২০২৩
Link Copied!

রাজধানীর লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আসমা সিদ্দিকা মিলির নাকের ডগায় চলছে প্রায় পাঁচ থেকে সাত হাজার অবৈধ অটোরিকশা।অটোরিকশা পরিচালনা করার জন্য লালবাগ জোনের ডিসি দায়িত্ব দিয়েছেন কামরাঙ্গীরচরের ছোরাফ, রুবেল নামে এক ব্যক্তিকে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

যেখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছে বলে গোপন সূত্রে জানা যায়।প্রায় তিন বছর ধরে এই লাইনটি বন্ধ ছিল বর্তমানে এই ডিসি যোগদানের পরে পুনরায় আবার এই লাইনটি চালু করা হয় মোটা অংকের টাকার বিনিময়।

সরজমিনে জানা যায় আল্লাহর দান নামে একটি ছোট স্টিকার যদি ইজিবাইক, অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত ভ্যান গাড়িতে ব্যবহার করা হয় তাহা হইলে লালবাগ জোনের কোন ট্রাফিকের কর্মকর্তা বা ট্রাফিকের পুলিশ সদস্যরা ডিস্টার্ব করছেন না।লালবাগ জোনের ট্রাফিকের ইন্সপেক্টর, সার্জেন্ট সহ ট্রাফিকের পুলিশ সদস্যদের যদি বলা হয় কেন আপনারা অবৈধ অটোরিকশা গুলি আটক করছেন এবং আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। তারা তখন এক কথায় উত্তর দেয় আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ভিসি স্যারের সাথে যোগাযোগ করুন তাহা হইলে সব তথ্য পাবেন।

একমাত্র সংকেত হিসাবে এই স্টিকারটিকে ব্যবহার করা হয় এবং প্রত্যেক গাড়ি থেকে উত্তোলন করা হয় তিন হাজার, দুই হাজর ও সর্বনিম্ন ১ হাজর টাকা নেয়া হচ্ছে।এই সিন্ডিকেটের ডিসির প্রতিনিধি হয়ে মাঠে পরিচালনা করছেন ছোরাফ সহ তাহার সংঘ।

বিজ্ঞ হাইকোর্ট ও মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ রয়েছেন যে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ঢাকা মেট্রোর ভিতরে চালানো যাবে না। কিন্তু সেই নির্দেশনা কে অমান্য করে মাসে কোটি টাকার বিনিময় ৫ থেকে ৭ হাজার অটোরিকসার এই সিন্ডিকেটকে পরিচালনা করছেন। লালবাগ জোনের ডিসি ও তার প্রতিনিধি ছোরাফ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিকের কমিশনার ব্যবহারকৃত মোবাইল ফোনে ফোন দিয়ে এ বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে তিনি জানান। বিষয়টি আমি অবগত না তবে এখন জেনেছি এবং আপনাদের কাছে কোন তথ্য প্রমাণ থাকলে আমাকে পাঠিয়ে দেন আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

এ বিষয়ে ট্রাফিক লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আসমা সিদ্দিকা মিলির কাছে তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন। আপনারা সাংবাদিকদের কোন কাজ নেই শুধু লালবাগ নিয়েই পড়ে থাকেন। ঢাকার শহরের সকল ট্রাফিকের ডিসিকে ফোন দেন এরপরে একত্রিত হন এরপর আমি সাক্ষাৎকার দিব এর আগে আমি কিছু দিতে পারবো না। আর কিছু বলার আছে আপনার।

অনেক গাড়িচালকরা সাংবাদিকদের জানান এই সিন্ডিকেট দের অবিলম্বে বন্ধ করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক।