ঢাকা শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নারায়ণগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি মাস্টার উপ-পরিচালক গাজী মাহমুদুল হাসান

কলমের কণ্ঠস্বর ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:৫৯ পি.এম, ৬ নভেম্বর ২০২৩
Link Copied!

ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলার পাসপোর্ট অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতি ক্রোমশাই বেড়ে চলছে। উল্লেখ্য বিষয়ে একাধিক মিডিয়া লেখালেখির পরেও এই দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। সরজমিনে দেখা যায় পাসপোর্ট করিতে আসলে দালালের হস্তক্ষেপ ছাড়া কোন পাসপোর্ট করা সম্ভব হয় না এবং এই দালালকে এজেন্ট হিসেবে রাখেন এখানকার উপ-পরিচালক গাজী মাহমুদুল হাসান। দালাল ছাড়া যদি কোন পাসপোর্ট করা হয় সেক্ষেত্রে এক বছরেও একটি পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব না। আশেপাশের কম্পিউটার দোকানদার তাদের সাথে চুক্তিপত্র করা থাকে উপ-পরিচালকের। প্রত্যেকটি পাসপোর্টে সরকারি নির্ধারণ করা ফি নেয়ার কথা থাকলেও সেখানে সরকারি ফি ছাড়াও মিনিমাম ১০ হাজার টাকা করে বাড়তি নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে কেহ সেবা প্রত্যাশীরা মুখ খুলছেন না কারণ যে মুখ খুলবে এবং মিডিয়ার কাছে কথা বলবে তার পাসপোর্ট বিভিন্ন সিস্টেম দেখিয়ে আটকে দিবে সে আর জীবনে কোন পাসপোর্ট পাবেন না। উল্লেখ্য বিষয়ে সেবা প্রত্যাশীরা গোপনে বলেন এখানকার যে অবস্থা বর্তমানে রয়েছে এতে দুর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ করা উচিত এবং এই দুর্নীতি বন্ধ করার লক্ষ্যে সকল গণমাধ্যম কর্মী একত্রিত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করা দরকার। তাহলে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে স্বপ্ন বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি মুক্ত করে বিশ্বের দরবারে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে সকল রাষ্ট্রে প্রদান্য পাবে। কিছু সংখ্যক দুর্নীতিবাজদের কারণে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা প্রত্যাশীদের ভোগান্তির সীমা থাকে না বলে জানিয়েছেন অনেকেই। যদি কেহ মোটা অংকের টাকা দিতে পারে সেক্ষেত্রে তাদের সেবা অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে জানা যায়। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক গণমাধ্যমকে জানান নারায়ণগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিস এরকমের অহরহ দুর্নীতি করে আসছেন। তাই আমরা অনতিবিলম্বে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় ও পররাষ্ট্র সচিব মহোদয় বরাবর তাদের এই দুর্নীতি বন্ধ করার লক্ষ্যে লিখিত কমপ্লেন করিব।