ঢাকা রবিবার, ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়

কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় এরিয়ায় আবাসিক হোটেল অভি এখন নাম করন তিতাস : দিন-দুপুর চলচ্ছে দেহ ও মাদক ব্যবসা: মালিক কালাম- ম্যানেজার শফিক!

সময়ের বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:১০ পি.এম, ২৯ জানুয়ারি ২০২৪
Link Copied!

দিন যতই যায় ততই দেহ ব্যবসা ও মাদক রমরমা বাণিজ্য গড়ে তুলছেন অভি এখন নাম করন তিতাস হোটেল আবাসিক এর মালিক কালাম ওরফে জালাল ও শফিক প্রশাসনের ধরার বাহিরে তারা। প্রশাসনের অভিযান নিয়মিত চলমান রয়েছে বারবার আটক সিলগালা করে দেওয়া হয়। আবাও ফের শুরু করেন দেহ ও মাদক ব্যবসা হোটেল অভি আবাসিক এর মালিক কালাম ওরফে জালাল ও ম্যানেজার শফিক। ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের আমতলি ও ঝাগুরঝুলি এলাকার কুমিল্লা হাইওয়ে হোটেল ‘অভি এখন নাম করন তিতাস আবাসিক প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে এই অভি আবাসিক হোটেলে চলছে অবৈধ দেহ ব্যবসা ও মাদক বানিজ্য। সারা দেশে দেহ ও পতিতা এবং মাদক ব্যবসা নিয়ে প্রশাসনের নানান কৌশলে অভিযান ছাড়া থাকলেও এই তিনটি আবাসিক হোটেল প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন মাসের পর মাস চালাচ্ছেন দেহ ও মাদক বাণিজ্য। মনোরম পরিবেশ থাকার কথা বলে খদ্দরদেরকে রুম ভাড়া দেয় খদ্দর যখন রুম ভাড়া নিয়ে রুমে থাকতে আসে ঠিক সেই সুযোগে নিরবে চলে জমজমাট পতিতা ব্যাবসা। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখাগেছে, অন্যান্য দিনের মত এই অভি আবাসিক হোটেল রমরমা দেহ ব্যবসা চলছে। হোটেলের সামনে বসে থাকা দালাল বা হোটেল স্টাফরা দাড়িয়ে থেকে খদ্দের ডেকে ভেতরে নিয়ে যায়।

আবার ভ্রাম্যমান দালালরা খদ্দের ধরে সারাসরি হোটেল নিয়ে আসছে। আর হোটেল মালিক পক্ষ আশে পাশে থেকে পাহারা দিচ্ছে। তাদের কাছে প্রশাসনের কোন ভয় নেই। ৪ঠা আগস্ট ২০২৩ইং- রোজ শুক্রবার এমনই একটি চিত্র ধরা পড়ে দৈনিক দখিনের ক্রাইম প্রতিবেদক এর কাছে। হাঠৎ একটি যুবক আসে। প্রথমে পাশে দাড়ায়। তার মিনিট খানে পড়ে বলেন ভাই কাউকে খুজতে আসেন নাকি। তখন প্রতিবেদক বললেন হ্যা এখানে একটা হোটেল আছে না? যুবকটি বলেন হ্যা ভাই আছে। তবে আগের চেয়ে এখন উন্নত হয়েছে। এখন সব কচি মাল। রেট একটু বেশি মালিত কচি তো তার কারনে ও চেহারাও পরির মত। বিভিন্ন বয়সের আছে। আসেন ভাই ভিতরে ঢুকে দেখলেই প্রান জুড়ে যাবে আপনার। গোপন সূত্রে জানা গেছে, এভাবেই কুমিল্লা এই হোটেলে অভি আবাসিক প্রতিদিনই চলে আবাসিক হোটেলের নামে রমরমা দেহ ব্যবসা।

এই সব দেহব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী ও মধ্যবিত্ত পরিবারের গৃহ বধূরা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, নগরীর ছোট বড় মিলে কয়েকটি আবাসিক হোটেলে এই ধরনের অনৈতিক কাজ চলছে। তবে এই অভি হোটেলের দৌরাত্ম্য অনেক বেশি। এই তিনটি আবাসিক হোটেলে প্রতিদিন যৌন কর্মী সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত এবং রাতের বেলায় আবারও অন্য গ্রুপ এসে পরের দিন সকাল পর্যন্ত দেহব্যবসা করে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যায়। কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের নাকের ডগায় এসব অপকর্ম চালিয়ে আসছে উল্লেখিত অভি আবাসিক হোটেল। সরেজমিনে দেখা যায়, হোটেল অভি আবাসিক এর মালিক অভি ও ম্যানেজার শফিকসহ একটি সংঘবদ্ধ দল হয়ে ও বিভিন্ন দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে আবাসিক হোটেলের নামে দেহ ব্যবসা ও মাদকের আখড়া।

দৈনিক দখিনের ক্রাইম প্রতিবেদক তথ্য সংগ্রহে গেলে, প্রথমে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। তারপর হোটেল অভি আবাসিক এর মালিকপক্ষের একজন এসে প্রতিবেদক এর সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। এরপর হোটেল অভি আবাসিকে গেলে মালিক খুঁজে পাওয়া যায়নি। ম্যানেজার শফিক পাওয়া যায় ম্যানেজার সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তাদর কে বিভিন্ন হুমকি দেয়।

এইভাবেই একাধিক অভিযোগ থাকলেও হোটেল অভি আবাসিক এর বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে। পুলিশ প্রশাসনকে বৃদ্ধ আঙ্গুলে দেখিয়ে নিয়মিত দেহ ব্যবসা চালাচ্ছেন। পাশাপাশি মাদক ব্যবসাও রয়েছে পথের অভি আবাসিক এর বিরুদ্ধে পরকীয়ার জেরে হোটেলের ভিতরে আত্মহত্যা ও বিভিন্ন খারাপ কাজের কার্যকলাপে অভিযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় কতিপয় পুলিশ সদস্যের সাথে রয়েছে তাদের সখ্যতা, তা ছাড়া এলাকার কিছু প্রভাবশালী লোকও জড়িত রয়েছে যার কারনে আমরা ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোথাও কোন অভিযোগ দিতে পারি না। এই সব এলাকায় জমজমাট দেহ ব্যবসা বন্ধের ব্যাপারে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ চেয়েছে এলকার সাধারন মানুষ।

এদিকে হোটেল মালিক অভির সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমরা পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে হোটেল চালাই। অপরদিকে ম্যানেজার সফিক বলেন আমরা উপর তলা থেকে নিচতলার সমস্ত লোকদেরকে টাকা দিয়ে হোটেল চালাতে হয় কাজী আমাদেরকে কিছুই করতে পারবে না।

এবিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করেননি।
অপরদিকে এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুমিল্লা সদর সার্কেল মহদয় এর সাথে বিষয়টি অবগতি করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। এবং বেশ কিছু হোটেলে ও সিলগালা করে দিচ্ছি। তারপরও যখন অভিযোগ উঠেছে অবশ্যই হোটেল অভির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমার এরিয়ায় কোন অসামাজিক কার্যকলাপ চলবে না বলে তিনি জানান।

বিস্তারিত চলবে আগামী পর্বে আসবে…………!