ঢাকা শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আপোষ -মীমাংসার চলকালীন বাড়ির তালা ভেঙ্গে মালামাল লুট, অভিযোগ আসাদুল্লাহ”র বিরুদ্ধে: চকবাজার মডেল থানায় অভিযোগ দিয়ে ন্যায়বিচার পায়নি রুমা বেগম:

সময়ের বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩০ পি.এম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Link Copied!

আপোষ -মীমাংসার চলকালীন বাড়ির তালা ভেঙ্গে মালামাল লুট, অভিযোগ আসাদুল্লাহ”র বিরুদ্ধে। গত রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রাজধানী ঢাকায় চকবাজার থানায় রুমা বেগম নামে এক নারী জীবনের নিরাপত্তা ও নিজ ঘরের মালামালের উদ্ধারের অভিযোগ করেন থানায় । এই শিরোনামে বিভিন্ন অনলাইনসহ- গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ইং। অভিযোগের তীর ঘটনা স্থানে যায়, সাব- ইন্সপেক্টর মো: মুরাদ ঘটনা স্থান স্থান পরিদর্শন করে সকল বাদী- বিবাদীদের”কে আপোষ – মীমাংসার জন্য থানায় ডাকেন তিনি। গত মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি- ২০২৪ ইং- সন্ধ্যায় ৮: ৩০ মি: সময়: বাদী – বিবাদী এবং ১নং সাক্ষী আমজাদ হোসেনসহ, আপোষ- মীমাংসা বৈঠক বসেন চকবাজার থানায়। বৈঠক বসার কালীন বিবাদী আসাদুল্লাহ সাব- ইন্সপেক্টর মো: মুরাদ এর সমনে ১নং সাক্ষী আমজাদ হোসেনের গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করে থানা পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এবং আমজাদ হোসেনে”কে হত্যা করবে বলে বিভিন্ন হুমকি দেয় আসামী আসাদুল্লাহ । এদিকে থানার আপোষ- মীমাংসার সমাধান হয়, বাদীর ঘর -বাড়ি দিবেনা বিবাদীরা। তবে বাদীর বাবা বাড়ি থেকে আনা হয় যে সকল আসবাবপত্রের ও মালামাল ফেরত দিবে বলে কথা দেয়। এই বলে দুই পক্ষের আপোষনামা লেখা-লেখি কাজ চলে। কিন্তু আপোষের কথা বলে বিবাদীরা- বাদী রুমা বেগমের স্বামী আমজাদ হোসেনের ঘরের তালা ভেঙ্গে ঘর বাড়ি লুট করেছেন বিবাদী আসাদুল্লাহ থানা পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। চকবাজার থানায় অভিযোগ দিয়ে ন্যায়বিচার পায়নি রুমা বেগম। বাদী রুমা বেগম বলে সাংবাদিকদের কাছে।

স্থানায় সূত্রে জানা যায়, আসাদুল্লাহ একজন নারী লোভী – চাঁদাবাজ -ধান্দাবাজ অন্যের সংসার ভাঙতে তার মনে হয় ডাল ভাতের মত অপরে সংসার নিয়ে ছিনিমিনি কয়া তার পেশা। আসাদুল্লাহ ক্ষমতার উৎস কোথায় আপন বড় ভাইয়ের ঘর লুট করে আমজাদ হোসেনে”কে মাকে দিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছেন নিয়মিত। অভিযোগ দিলেও থানা পুলিশ নীরবতা পালন করে। অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি আসাদুল্লাহ বিরুদ্ধে । দিন যতই যায় আসাদুল্লাহ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ।এলাকা কয়েক জন সাধারন মানুষ বলেন আসাদুল্লাহ নিজের আপন ভাতিজির সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছেন। আমজাদের সংসারটি বিনাশ করে দিয়েছেন এবং আমজাদের লক্ষ লক্ষ টাকার বাড়ি তৈরি করা দিন দুপুরে দখল করার চেষ্টা চলছে । রুমা বেগমসহ আমজাদ”কে একাধিকবার হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে, যা মেডিকেল সার্টিফিকেট আছে।

এই বিষয় আমাদের প্রতিবেদকরা আমজাদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ ২৮ বছর বাই-সাইকেলে চালিয়ে যুগান্তর- পত্রিকায় ইনকিলাব- পত্রিকা – বর্তমান নয়া দিগন্ত -পত্রিকায় হকারি কাজ করে ২২ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি পাকা বিল্ডিং তৈরি করি ঠিকানাঃ ১৪/১৫ খাজে দেওয়ান ১ম লেন, থানা- চকবাজার, জেলা-ঢাকা এবং ঘরের ভিতরে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার মালামাল সঞ্চয় করি আমার আপন ভাই আসাদুল্লাহ সহ রাজু আহম্মেদ(বয়সঃ ৩৭ বছর), পিতাঃ মৃত আঃ সাত্তার খান, রচনা স্বামী আলাউদ্দিন আলো, লাকি আক্তার ওরফে লাকি পিতাঃ আব্দুর রাজ্জাক, লাবু মিয়া, মোসাঃ মীম (বয়সঃ ২৫বছর), স্বামীঃ রাজু আহম্মেদ, শিরিন আক্তার(বয়সঃ ৩০বছর), স্বামীঃ মৃত শাহাবউদ্দিন শাবু, তুহিন (বয়সঃ ২৫বছর), পিতাঃ আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রাজ্জাক(বয়সঃ ৬৫বছর), পিতাঃ মৃত আলী আহম্মেদ খান, ০৬ঃ তানজিনা আফরিন বুশরা(বয়সঃ ১৯বছর), পিতাঃ মোঃ আমজাদ হোসেন, সর্ব ঠিকানাঃ ১৪/১৫ খাজে দেওয়ান ১ম লেন, থানা- চকবাজার, জেলা-ঢাকা। আমার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সংসারটি বিনাশ করে দিয়েছে এখন থানার হাঁটলেও ন্যায় বিচার পাইনি আমি বিবাদীদের বিচার চাই। বিবাদীদের বিরেদ্বে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ২০২২ইং চকবাজার মডেল থানায় জিডি করেন এবং ২০২৩ সালে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ঢাকা বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটা ১০৭/১১৭ ধারায় মামলা করেন সকল বিবাদীরা সারা জীবনের জন্য মুচলেকা দিয়ে আসলেও থেমে নেই আমাকে হত্যা হুমকি দিয়ে আসছে আসাদুল্লাহ- রাজু আহম্মেদ বাহিনীরা।

অপদিকে বাদী রুমা বেগম, গত ২৯/০১/২০২৪ইং তারিখে আদালতে সকল আসামীর বিরুদ্বে মামালা দায়েল করেন বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্টেট আদালত, ঢাকায় একটি সি.আর. মামলা দায়ের করি যাহার মামলা নংঃ সি.আর. ৭৫/২৪ইং স্মারক নংঃ ৩৫, ধারাঃ ১৪৩/১৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৩৮০/৩৫৪/৫০৬(১১)/১০৯ দন্ডবিধি আইনে। এবং নিজ ঘরের মালামালের উদ্ধারের অভিযোগ করেন।

চকবাজার মডেল থানায় অভিযোগের কথা গুলো:
গত ১৪/০২/২০২৪ইং রোজ বুধবার সাত জনকে বিবাদী করে জীবনের নিরাপত্তা – মালামাল উদ্ধারের অভিযোগ দায়ের বিবাদীদের নাম: বিবাদী-০১ঃ রাজু আহম্মেদ(বয়সঃ ৩৭ বছর), পিতাঃ মৃত আঃ সাত্তার খান, বিবাদী-০২ঃ মোসাঃ মীম(বয়সঃ ২৫বছর), স্বামীঃ রাজু আহম্মেদ, বিবাদী-০৩ঃ শিরিন আক্তার(বয়সঃ ৩০বছর), স্বামীঃ মৃত শাহাবউদ্দিন শাবু, বিবাদী-০৪ঃ তুহিন (বয়সঃ ২৫বছর), পিতাঃ আব্দুর রাজ্জাক, বিবাদী-০৫ঃ আব্দুর রাজ্জাক(বয়সঃ ৬৫বছর), পিতাঃ মৃত আলী আহম্মেদ খান, বিবাদী-০৬ঃ তানজিনা আফরিন বুশরা(বয়সঃ ১৯বছর), পিতাঃ মোঃ আমজাদ হোসেন, সর্ব ঠিকানাঃ ১৪/১৫ খাজে দেওয়ান ১ম লেন, থানা- চকবাজার, জেলা-ঢাকা। বিবাদী-০৭ঃ আসাদুল্লাহ তালুকদার(বয়সঃ ৩৫বছর), পিতাঃ আব্দুল খালেক তালুকদার, ঠিকানাঃ ৫৭/১ বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম সড়ক, হাজী লেন পশ্চিম রায়ের বাগ, থানা- যাত্রাবাড়ী, জেলা-ঢাকা সহ অজ্ঞাতনামায় আরো ৪-৫জন আছে।
জীবনের নিরাপত্তা: মালামাল উদ্ধারের অভিযোগ দায়েরের কিছু ঘটনা বিবরন :
ঘটনার দিনঃ রোজ সোমবার, তারিখঃ ১২/০২/২০২৪ইং ও সময়ঃ দুপুর ১২.৩০ মি., স্থানঃ ১৪/১৫ খাজে দেওয়ান ১ম লেন, আমাদের বসত বাড়ী থানা- চকবাজার , জেলা-ঢাকা । আমার স্বামীর সাথে ১৭/০৪/২০১৯ ইং তারিখে মুলিম পারিবারিক আইনমোতাবেক স্থানীয় কাজী দ্বারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমার বিবাহের পরে আমার স্বামীর প্রথম পক্ষের বাবার বাড়িতে আমাকে নিয়ে আসেন। আমি জানতে পারি আমার স্বামীর পূর্বের স্ত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন। তার ওরশে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। ১ম কন্যাঃ তানজিনা আফরিন বুশরা(বয়সঃ ১৯বছর) ও ২য় কন্যাঃ তানিয়া অরিন তাশফিয়া(বয়সঃ ১৩ বছর)। আমার স্বামীর ২য় পক্ষ হইয়া আসার পর আমার স্বামী আমজাদ হোসেন তার পূর্বের স্ত্রীর বাবার বাড়ী বসবাস করেন (ওয়াকফ এস্টেট সম্পত্তির উপর)। অকফা সম্পত্তির উপরে ২য় তলায় দুটি ফ্লাট স্থাপন করেন। আমাদের সুখে শান্তিতে দিন ভালোই কাটছিল। আমার এই ঘরে কোন সন্তান নেই। আগেই দুটি সন্তান নিয়েই জীবন-যাপন করিতেছি। দুটি ফ্ল্যাট তৈরী করতে আমার স্বামী (মোঃ আমজান হোসেন) প্রায় ২২ লক্ষ টাকা খরচ করেন। আমার সংসার সুন্দর করার জন্য আমার বাবার বাড়ী হইতে কিছু মালামাল (বিবরণঃ ১. একটি ভিশন ফ্রিজ, ২. একটি ওয়াল্টন ৩২” টিভি, ৩. চারটি ডাইনিং টেবিল, ৪. চারটি চেয়ার, ৫. একটি ড্রেসিং টেবিল, ৬. একটি বসার গোল টুল, ৭. চারসেট দরজা-জানালার পর্দা, ৮. একটি ভিশন ফ্যান, ৯. একটি জি.এফ.সি বড় ফ্যান, ১০. একটি সিলিকা ফ্যান, ১১. একটি এস.এস. খাট, ১২. একটি প্লাস্টিক র‌্যাক, ১৩. একটি প্লাস্টিকের কাপড় রাখার বক্স, ১৪. একটি প্লাস্টিক জুতার র‌্যাক, ১৫. একটি থালা-বাটির প্লাস্টিক র‌্যাক, ১৬. একটি রাউটার, ১৭. দুটি সি.সি.ক্যামারা, ১৮. একটি থালা-বাটি রাখার সেট র‌্যাক, ১৯. একটি পেশার কুকার, ২০. একটি ফ্রাই কড়াই, ২১. একটি বড় বটি, ২২. দশটি পাতিলা, ২৩. একটি বড় কলস, ২৪. তিনটি কড়াই, ২৫. একটি বড় সেনি, ২৬. বারটি কাপ-প্রিচ, ২৭. চারটি গ্লাস সেটের, ২৮. একটি পাটা-পুটা, ২৯. একটি ব্লেন্ডার মেশিন, ৩০. একটি বিদেশী কম্বল, ৩১. একটি বড় ওয়াল ঘড়ি, ৩২. অন্যান্য কাপড়-বস্ত্র, ৩৩. প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র) ৩৪. পানির ফিল্টার যারসহ । ইতিপূর্বে আমার আগের ঘরের বড় সন্তান (তানজিনা আফরিন বুশরা) বিবাদীদের কুপরামর্শে বিবাদীদের নিয়ে আমার ও আমার স্বামীর(মোঃ আমজান হোসেন) উপর হামলা করেন। আমার স্বামী (মোঃ আমজান হোসেন) নিরুপায় হইয়া বিবাদীদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়রীর আবেদন করেন, যাহার জিডি নংঃ ১১০৯/২০২২। থানা থেকে পুলিশ যাওয়ার পর আপোষ মিমাংশা করেন। বেশ কিছুদিন ভাল দিন কাটায়। গত ২০২৩ সনে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আদালতে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মামলা দায়েল করি বিবাদীদের বিরুদ্ধে, মামলা নংঃ ১৫৭/২৩, ধারাঃ ১০৭/১১৭ ফোঃ। এই মামলায় এক বছরে মুছলেখা দিয়েছেন সকল বিবাদীরা। আদালতকে অমান্য করে গত ২৯/০১/২০২৪ইং তারিখে আমাদের উপর সকল বিবাদীগণ বটি, দা, রডসহ হাতিয়ার নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেন। মামলা করার পর আমাদের বসত-বাড়ীতে ১২/০২/২০২৪ ইং তারিখে রোজ সোমবার বাসায় যাওয়ার পর আমাদের বাসায় ঢুকতে দেয়নি, বাসায় অন্য তালা লাগানো হয় এবং আমাদের জোড় করে বাড়ী থেকে বেড় করে দেয়। তাই আমরা আমাদের বসত বাড়ীর মায়া ছেড়ে অন্য স্থানে বাসা ভাড়া নিয়েছি। আমাদের বসত-বাড়ীর প্রয়োজন নেই। আমার বাবার বাড়ী থেকে যে মালামাল দিয়েছে এবং আমার স্বামীর পূর্বের ঘরের ২য় কন্যা তানিয়া অরিন তাশফিয়া(১৩) সহ ফিরে প্ওায়া একান্ত প্রয়োজন। উপরে মালামালের বর্ণনা দেওয়া আছে। অভিযোগকারী রোমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন ন্যায় বিচারের আশাই থানায় ছুটে বেড়াচ্ছি। অভিযোগ দিয়েছি চারদিন হয়েছে এখনও কোন ন্যায় বিচার পাইনি, তবে ন্যায় বিচারের আশ্বাস পেয়েছি। আমার অভিযোগের ৭নং বিবাদী আসাদুল্লাহ তালুকদার, খালেক তালুকদারের ছোট পুত্র। আমার স্বামী আমজাদের আপন ছোট ভাই। আসাদুল্লাহ তালুকদারের সাথে তানজিনা আফরিন বুশরা অবৈধ্য সম্পর্ক রয়েছে। সেই সুবাদে আমাকে অভিযোগ ও মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। ইতি পূর্বে আমার উপর দফাই দফাই হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে আসছেন। আমি আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই এবং আমার মালামাল উদ্ধার করার জন্য থানা পুলিশের কাছে ন্যায় বিচার চাই। আমি এক কাপুড়ে প্রায় পনের দিন কাটাচ্ছি। ন্যায় বিচার চাই। তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষয়টা নিয়ে দৈনিক দখিনের ক্রাইমের”কে চকবাজার মডেল থানার সাব্-ইন্সপেক্টর মুরাদ ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। এই বিষয়টা নিয়ে চকবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গণমাধ্যম”কে ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তিনি অভিযোগ পাওয়ার আগে সাংবাদিকদেরকে বলেন ন্যায় বিচার অবশ্যই পাবে। কিন্তু ন্যায় বিচার এখনো পায়নি সাব- ইন্সপেক্টর মুরাদ ঘটনার কোন ব্যবস্থা নেয়নি। চকবাজার থানায় অভিযোগ দিয়ে ন্যায়বিচার পায়নি রুমা বেগম। বাদী রুমা বেগম বলে সাংবাদিকদের কাছে।

ন্যায়বিচার পাওয়া পযন্ত চলবে………….