ঢাকা শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকারী কর্মকর্তাদের প্রতি ৫ বছর পর হলফনামা বাধ্যতামূলক করার দাবি হানিফের

অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: ১২:০৯ এ.এম, ২৬ জুন ২০২৪
Link Copied!

সংসদ ভবন, ২৫ জুন, ২০২৪ : সরকারী কর্মকর্তাদের প্রতি ৫ বছর অন্তর বা পদোন্নতির সময় হলফনাাম জমা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সরকারি দলের সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ।
তিনি বলেন, ‘চাকরীতে নিয়োগের সময় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারিদের হলফনামা দিতে হবে, কিন্তু তারা হলফনামা দেন না। অথচ একজন রাজনীতিবিদকে হলফনামা দিতে হয়। প্রতি ৫ বছর অন্তর বা পদোন্নতির সময় হলফনামা দিতে হবে। এ নিয়ম চালু করলে তাদের কি পরিমান আয় বা সম্পদ বাড়ছে তা জানা যাবে, দুর্নীতি কমবে।’ তিনি জাতীয় সংসদে আজ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সম্পর্কে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন।
হানিফ বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী সরকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, তখন বলেছিলেন আমরা দুর্ণীতি বরদাস্ত করবো না। সরকারী কর্মচারীদের দফায় দফায় বেতন বাড়ানো, সুযোগ সুবিধা বাড়ানো হয়েছে, তার পরে কেন তারা দুর্নীতি করবে। অথচ দুর্নীতির কথা উঠলেই প্রথমেই আঙ্গুল তোলা হয় রাজনীতিবিদদের দিকে। অথচ একমাত্র মন্ত্রী ছাড়া কোন সদস্যের নির্বাহী ক্ষমতা নেই, তাহলে তারা কিভাবে দুর্নীতি করবে?’
তিনি কালো টাকা সাদা করা প্রসঙ্গে বলেন, ‘এ বিধান দেশে অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। আজকে আমরা দেখলাম কালো টাকা সাদা করার প্রস্তাবনা থাকায় বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি দল সমালোচনা করেছে। তাদের লজ্জা হওয়া উচিৎ। বিএনপির চেয়ারপাসর্ন বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ৩৩ লাখ টাকা দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছিলেন। তাদের অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান সাহেব ৩১ লাখ টাকা দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছিলেন। যে দলের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় কালো টাকা সাদা করেছিলেন সে দলের পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে সমালোচনা করা কোন মতেই জাতির কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’
দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রসঙ্গে হানিফ বলেন, এবিষয়ে সাধারণ গ্রাহকের কাছে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এখন যথেষ্ট পরিমান সহনশীল পর্যায়ে রয়েছে। যে সমস্ত ব্যক্তিগত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গুলো আছে সেগুলোর পূণচুক্তি করা হোক। তাহলে বিদ্যুতের দাম অনেকাংশে কমতে বাধ্য।