ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়

ভরা মৌসুমেও চড়া আমদানিকৃত ফলের বাজার

অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: ৭:৪৭ এ.এম, ২৯ জুন ২০২৪
Link Copied!

বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে দেশি-বিদেশি ফলের জোগান থাকলেও কমেনি আমদানিকৃত বিদেশি ফলের দাম। বাজার ঘুরে দেখা গেছে দামটা এখনও নাগালের বাইরে। আড়াইশো টাকার নিচে মিলছে না কোন বিদেশি ফল।

শুক্রবার (২৮ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজিপ্রতি মাল্টা ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, প্রতি কেজি কমলা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, আপেল ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা, নাসপাতি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ডালিম বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে। এ ছাড়া লাল অঙুরের কেজি ৬০০ থেকে ৬৬০ টাকা।

বাজারের তথ্য বলছে, আমদানি করা কিছু ফলের দাম এ ঈদের পরেই কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। দাম বাড়ার জন্য বাড়তি দরে শুল্কায়ন ও ডলার সংকটকে দায়ী করেন ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে ক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণে ফলের বাজার অস্থিতিশীল। উৎপাদক ও আমদানি পর্যায় থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত তদারকি না থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। সরকারের সহযোগিতা থাকলে মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেট ভেঙে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

পল্টনের এক ফল ব্যবসায়ী বলেন, এখন বিদেশি ফলের মৌসুমও নয়। যে কারণে আমদানি কম। এ ছাড়া ডলারের দামের কারণে গত রোজার মধ্যে থেকেই বিদেশি ফলের বাজার চড়া। বাজারে প্রচুর দেশি ফল রয়েছে। ক্রেতাদের আকর্ষণ এখন দেশি ফলে। তাই বিদেশি ফলের দাম নিয়ে কেউ মাথা ঘামাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের ফলের আড়তের এক স্বত্বাধিকারী বলেন, স্থানীয় পর্যায়েও দাম বেশি ফলের। মাঝখানে আবার ফড়িয়া আছে, পরিবহন খরচ দিতে হয়। সব মিলিয়ে দাম বেশি পড়ছে। আমরাও নিরুপায়।

ফল বিক্রেতারা বলেন, দেশি ফলের একদম ভরা মৌসুম চলছে, যে কারণে বিদেশি ফলের চাহিদা কমেছে। তবে দাম কমেনি সেই তুলনায়। আগে এ সময় বিদেশি ফল খুব কম দামে বিক্রি হতো। এবার ব্যতিক্রম।

এদিকে দেশী ফলের মধ্যে আনারস প্রতি পিস ৫০-১০০ টাকা, পেয়ারার কেজি ৬০-৮০ টাকা, লটকন ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা এবং সবরি কলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে।

মৌসুমি ফলের মধ্যে আমের দাম স্বাদ, আকৃতিভেদে ১০০-১৫০ টাকা, কাঁঠাল আকৃতিভেদে ১৫০ থেকে ৭০০ টাকা, জাম প্রতি কেজি ১৫০-১৮০ টাকা, লিচু ১০০ পিস ৫৫০ থেকে ১১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।