ঢাকা শনিবার, ২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
বাংলাঃ ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আরবীঃ ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
  1. Lead 1
  2. Lead 2
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আরো
  8. ইসলামিক
  9. কবিতা
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়

অপরিবর্তিত বন্যা পরিস্থিতিতে চরম দুর্ভোগে বানভাসি মানুষ, ৫টি পয়েন্টের পানি বিপদ সীমার উপরে

এম এ সাঈদ, রংপুর ব্যুরো
প্রকাশিত: ৮:৩৮ পি.এম, ১১ জুলাই ২০২৪
Link Copied!

বন্যা কবলিত কুড়িগ্রামের নদ নদীর পানি গত দুদিন কিছুটা কমে আবারও বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। ফলে জেলার ৯টি উপজেলার ৫৫টি ইউনিয়নের পানিবন্দী প্রায় দুই লাখ মানুষের অবর্ণনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

গত দশ দিন ধরে টানা বন্যায় রাস্তা ঘাট তলিয়ে ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা । শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি গোখাদ্যের ও তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন থেকে ত্রান সহায়তা কার্যক্রম চলমান থাকলেও গোখাদ্য সংকট নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন বানভাসিরা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, নদ-নদীর পানি সমতলে কিছুটা হ্রাস পেলেও ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার, হাতিয়া পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ৩৪ সেন্টিমিটার, ধরলার পানি ৭ সেন্টিমিটার ও দুূধকুমরের পানি ৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যায় জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ২ টি বাঁধ ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। চর দ্বীপ চর ও নিম্নাঞ্চলের মানুষের ঘরে চাল ডাল থাকার পরেও রান্না করে খেতে পারছেন না। ফলে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছেন বানভাসি মানুষগুলো। অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে পরিবারের লোকজনকে নিয়ে উঁচু স্থানে অবস্থান করছে। উপায় না পেয়ে অনেকের নৌকার ভিতর রাত কাটছে। এমন দূর্ভোগে সরকারী ও বেসরকারি ভাবে সহযোগিতার আশা করছেন বানভাসিরা। গত ১০ দিন ধরে চলা বন্যায় জেলার ৯ উপজেলার দুই লাখ পানিবন্দি মানুষের দূর্ভোগের অন্ত নেই।

সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের মন্ডল পাড়া এলাকার শাহাজাহান আলী বলেন, বাড়ি চারিদিকে পানি। গত এক সপ্তাহ ধরে বাড়ি থেকে বাহির হতে পারছি না। কাজকর্মও নাই, খাওয়া দাওয়ারও খুব কষ্ট।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকার বলেন, জেলার বন্যা কবলিতদের জন্য বুধবার দুপুর পর্যন্ত ৫৪২ মেট্রিক টন চাল, ৩২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ও ২৩ হাজার ১২০ প্যাকেট শুকনো খাবার ৯ উপজেলায় বিতরণ চলমান।