প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কুমারুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলায় কারাগারে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর কালের কণ্ঠের ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি আলম ফরাজীকে সংবাদ বর্জনের হুমকি প্রদান করেছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন-অর-রশিদ।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে যখন সংবাদটি প্রকাশিত হয়, তখনই ওই সংবাদকর্মীর ব্যক্তিগত মেসেঞ্জারে কল করে হুমকি দেন তিনি।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, রবিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কালের কণ্ঠের অনলাইনে ‘প্রধান শিক্ষকের মামলায় সহকারী শিক্ষক কারাগারে, ক্লাস বর্জন শিক্ষার্থীদের’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের মাত্র ২৭ মিনিট পর, বিকেল ৪টা ৫৭ মিনিটে, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন-অর-রশিদ ওই সংবাদকর্মীর মেসেঞ্জারে কল করেন। তিনি জানতে চান, ‘আপনি যে বিদ্যালয়ে গেলেন, কি পেলেন আর কি জানলেন? কেনই বা গেলেন?’ একাধিক প্রশ্নের পর, এক পর্যায়ে ওই বিএনপি নেতা দাবি করেন, ‘ওই ছাত্রী তো ধর্ষণের শিকার হয়েছে, আপনি কি তা জানেন? পরে আবার ৬ লাখ টাকা রফা হয়েছে। নৈতিক স্খলনের জন্য কি ওই শিক্ষকের বিচার চান না?’
জবাবে সাংবাদিক পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘ওই ছাত্রীর পরিবার তো মামলা করেনি, তাহলে ধর্ষণ হলো কিভাবে? পরিবার না করে মামলা তো প্রধান শিক্ষক করেছেন শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে।’ এই প্রশ্নের পর ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি নেতা হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘সরি টু সে, এখন থেকে কালের কণ্ঠে ঈশ্বরগঞ্জের নিউজ আপনি করবেন না। অন্য জায়গার করেন।’ এই কথা বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন