প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : পেনাল্টি থেকে দুই গোল করে ৫৯ বছর বয়সী কাজুয়োশি মিউরা জাপানের সবচেয়ে পুরোনো কাপ প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করা খেলোয়াড়ের নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
‘কিং কাজু’ হিসেবে পরিচিত মিউরা বর্তমানে পেশাদার ফুটবলে তার ৪২তম মৌসুম খেলছেন। এমপেরর’স কাপে তৃতীয় বিভাগের দল ফুকুশিমা ইউনাইটেডের ৭-০ গোলের বড় জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এই প্রতিযোগিতার বয়স ১০৬ বছর। জুলাইয়ের শেষে প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বেও তিনি গোল করেছিলেন।
২০০৫ সালের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি এফসির হয়ে গোল করার পর এটি তার প্রথম কোনো ম্যাচে একাধিক গোল করার ঘটনা। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে পেশাদার জে-লিগ চালুর সময় থেকেই তিনি জাপানের প্রথম ফুটবল সুপারস্টার হিসেবে পরিচিত। মিউরা জানান, তিনি প্রায় প্রতিদিনই অনুশীলনের পরে পেনাল্টি অনুশীলন করেন।
বুধবারের এই কীর্তির পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন, “কখন আপনার পালা আসবে, তা তো কখনোই জানা যায় না। তাই আমি সব সময় এগুলোর অনুশীলন করি। আমি ভালো অনুভব করছি যে অনুশীলনের ফল পেয়েছি।”
তার দুটি গোল এমপেরর’স কাপের সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতার রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল ৪১ বছর বয়সী সাবেক জাপান জাতীয় দলের খেলোয়াড় শিনজি ওনোর।
ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে শুরু করেন মিউরা। ৫৮ মিনিট পর্যন্ত মাঠে ছিলেন তিনি। প্রথম গোলটি তিনি ১২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে করেন। এরপর ৫৫ মিনিটে বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হয়ে আবারও পেনাল্টি পান ফুকুশিমা, এবং সেখান থেকেও গোল করেন মিউরা।
তিনি বলেন, “প্রতিপক্ষ সমর্থকদের কেউ দুয়ো না দেওয়ায় পরিবেশটা ছিল অন্যরকম, এক ধরনের নীরবতা ছিল।” “আমি অনুভব করতে পারছিলাম, সবার চোখ আমার দিকে। এমন পরিস্থিতিতে দুটো পেনাল্টি কাজে লাগাতে পারাতে ভালো লাগছে।”
১৯৮৬ সালে ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসের হয়ে পেশাদার ফুটবলে মিউরার অভিষেক ঘটে। এরপর তিনি ইতালি, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং পর্তুগালেও খেলেছেন।
১৯৯০ সালে জাপান জাতীয় দলে অভিষেক হলেও ১৯৯৮ সালে জাপান প্রথমবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার সুযোগ পাওয়ার সময় দলে জায়গা পাননি তিনি। জাতীয় দলের হয়ে ৮৯ ম্যাচে ৫৫ গোল করার পরও ওই দলে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। জানুয়ারিতে তিনি ফুকুশিমায় যোগ দেন। নতুন ক্লাবটি তার ওপর যে আস্থা রেখেছে, তা গোল ও অ্যাসিস্টের মাধ্যমে প্রতিদান দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন