প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকালে ৫টায়। যদিও অধিকাংশ সংসদ সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, কিন্তু ছয়জন ভোট দেননি।
নির্বাচন কমিশন গঠিত প্যানেলের অধীনে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ প্রায় সকল সংসদ সদস্য ভোট দেন।
বিকাল ৫টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, এখন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাগণ ভোট গণনা করবেন। গণনা শেষ হওয়ার পর ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
যারা ভোট দেননি, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের ড. ওসমান ফারুক, চট্টগ্রাম-৩ আসনের মোস্তফা কামাল পাশা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, সিলেট-৫ আসনের খেলাফত মজলিশের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসান এবং জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
সংসদ সূত্রে জানা গেছে, মির্জা আব্বাস দীর্ঘদিন অসুস্থতাজনিত কারণে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে রয়েছেন। এ কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার ভোট দেওয়া সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি বিতর্কিত ভিডিওর কারণে গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামী ইতোমধ্যে বহিষ্কার করেছে। তবে তার ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত না থাকার কারণ জানা যায়নি।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বিএনপি বা ১১ দলীয় জোটের কোনো প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে ভোটকক্ষে দেখা যায়নি।
এছাড়া, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের ড. ওসমান ফারুক, চট্টগ্রাম-৩ আসনের মোস্তফা কামাল পাশা এবং সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসানের ভোট না দেওয়া কারণ জানা যায়নি।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথম দিকে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরবর্তীতে ভোট দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ।
ভোটগ্রহণের জন্য জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে আসনভিত্তিক ভোটের ব্যবস্থা করা হয়। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানান, ভোটগ্রহণের জন্য তিনটি নির্ধারিত ব্যালট বক্স রাখা হয়েছিল। সংসদ সদস্যরা ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর করে গোপনীয়তার সঙ্গে ভোট প্রদান করেন।
ভোট প্রদান শেষে বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দলীয় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং ফটোসেশনে অংশ নেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন