প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজনৈতিক বৈরীতায় ২০১৩ সালের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে সমর্থকদের আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখির জন্য অপেক্ষা করে থাকতে হয়।
সবশেষ বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো বড় টুর্নামেন্টগুলোতে ভারত এই লড়াইয়ে আধিপত্য বিস্তার করেছে। এমন পরিস্থিতিতে আইসিসি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় বা চতুর্দেশীয় সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এটি একটি বড় সিরিজ হতে পারে যা কোনো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজন করা সম্ভব, যেখানে কোনো দলেরই খেলতে আপত্তি থাকবে না।
‘এআরওয়াই নিউজ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় আইসিসির আসন্ন সভায় এই ত্রিদেশীয় বা চতুর্দেশীয় সিরিজের বিষয়টি আলোচনার জন্য তোলা হতে পারে। ২২-২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় এই সভায় আন্তর্জাতিক ম্যাচের সময়সূচি এবং ২০২৭-২০৩১ চক্রের ‘ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম’ (এফটিপি) নিয়ে আলোচনা করা হবে। এই সিরিজের মাধ্যমে ভক্তরা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার লড়াই দেখার সুযোগ পাবেন।
এর আগে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, ভারত আইসিসির কাছে আরও বেশি ত্রিদেশীয় ও চতুর্দেশীয় সিরিজ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এসব সিরিজ নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে এবং ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে বেশ প্রচলিত ছিল। আসন্ন আইসিসি বৈঠকেও বিষয়টি আলোচনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, কারণ তাদের ধারণা, দ্বিপাক্ষিক সিরিজের তুলনায় এ ধরনের সিরিজ থেকে বেশি আয় করা সম্ভব।
রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে পাকিস্তান বড় টুর্নামেন্টের বাইরে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে আরও বেশি ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দুই দেশের মধ্যে শীতল সম্পর্কের কারণে বিসিসিআই ভারত সরকারের কাছ থেকে এ বিষয়ে সবুজ সংকেত পায়নি।
ত্রিদেশীয় সিরিজে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সর্বশেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালে ‘কিটপ্লাই কাপ’-এ, যেখানে আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশও অংশ নিয়েছিল। এরপর থেকে তারা আর কোনো ত্রিদেশীয় সিরিজে একে অপরের মুখোমুখি হয়নি। দুই দেশর সবশেষ অনুষ্ঠিত সিরিজে পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজটি ড্র হয়েছিল।
এর মধ্যে গত বছরে পাহালগামে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হামলায় বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হওয়ার পর দুই দলের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর জেরে ওই বছরে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ চলাকালীন ভারতের ক্রিকেটাররা টস বা ম্যাচ-পরবর্তী সময়ে প্রচলিত করমর্দন করেন নি। এমনকি পিসিবির চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করতেও অস্বীকৃতি জানায়। ফলে চেয়ারম্যান ট্রফিটি নিজের সাথেই নিয়ে যান এবং সূর্যকুমার যাদবের দল ট্রফি ছাড়াই জয় উদযাপন করে।
পরবর্তীতে চলতি বছরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার বিষয়ে পাকিস্তান সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করায় পিসিবি। তবে শেষ পর্যন্ত তারা মাঠে নামে তারা হেরে যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন