প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিং বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে হামলার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় দেশে থাকা ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে চিঠি প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বুধবার পুলিশ মহাপরিদর্শককে বিষয়টি জানিয়ে এ সংক্রান্ত চিঠিটি দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট এবং তীব্র তাপদাহের কারণে বিদ্যুত্ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় পাওয়া সরবরাহ কমেছে। এর জন্য সারা দেশ, বিশেষত গ্রামীণ অঞ্চলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে জনরোষ চরমভাবে বেড়ে যাচ্ছে এবং কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র অফিসগুলো হামলার শিকার হচ্ছে।
এছাড়া চিঠিতে জানানো হয়েছে, দেশের ৫ কোটি ২০ হাজার গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৪ কোটির মতো গ্রাহক বিদ্যুৎ সেবা পেয়ে থাকে via পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। এভাবে মোট গ্রাহকদের ৮০ শতাংশ এবং উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৬০ শতাংশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় উৎপন্ন হয়। উল্লেখ্য, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না, বরং চাহিদার প্রেক্ষিতে বিদ্যুতের বরাদ্দ অনুযায়ী সরবরাহ করে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন জানায়, গত কয়েকদিনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর গড় চাহিদা প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট হলেও তাদের বরাদ্দ পাচ্ছে গড় ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। এর ফলে দৈনিক গড়েই কোথাও ৮, ১০ কিংবা ১২ ঘণ্টা লোডশেডিং ঘটছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে এবং তারা পল্লী বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে উপকেন্দ্র এবং দায়িত্বরত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে ভুগছেন।
এ অবস্থায় চিঠিতে বাংলাদেশ পুলিশের মনোযোগ আকর্ষণ করে দেশের প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড উপকেন্দ্র ও অফিসগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের জন্য স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন