প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বছর দেড়েক আগে রাজধানীর বংশালের কসাইটুলী এলাকায় পারিবারিক কলহের কারণে সিয়াম নামে এক যুবকের পুরুষাঙ্গ কর্তনের ঘটনায় তার স্ত্রী মোসা. রুমা আক্তারকে পৃথক দুই ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এই রায় ঘোষণা করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আতাউর রহমান মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জানান, কাঁচি দিয়ে আঘাতের দায়ে আসামিকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। গুরুতর আঘাতের দায়ে আসামিকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক মাস কারাভোগ করতে হবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন। রায়ে বলা হয়েছে, দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে। ফলে সর্বোচ্চ সাজা অর্থাৎ চার বছরের কারাভোগ করতে হবে তাকে।
মামলার বিবরণে দেখা যায়, সিয়াম ও রুমা ২০২৪ সালের জুন মাসে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকে তারা কসাইটুলী এলাকায় আলাদা থাকতেন এবং তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২টার দিকে সিয়াম বাইরে থেকে খাবার খেয়ে বাসায় ফেরেন। খাবার খেয়ে আসার কারণে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রুমা ঘুমন্ত সিয়ামের পুরুষাঙ্গ কাপড় কাটা কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলেন। এই ঘটনায় ধস্তাধস্তির মধ্যে সিয়ামের বাম হাতের বৃদ্ধ আঙুল রক্তাক্ত জখম হয়।
এই ঘটনার পর সিয়ামের বাবা বংশাল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ৫ মে রুমাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফেরদৌস আলম।
এরপর ১০ নভেম্বর রুমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলায় বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। রুমা নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন