প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সউদী আরবের সাথে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে, ইয়েমেনে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা জোরদার করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত রোববার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন পার্বত্য অঞ্চলে সউদী-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুতিদের মধ্যে তীব্র লড়াই সংঘটিত হয়েছে।
সউদী-সমর্থিত ইয়েমেনি সেনা কর্মকর্তা আবদুল বাসিত আল-বাহের জানান, আল-ওয়াজিয়াহ, আল-মাদারিবাহ ও আল-আরা এলাকায় সংঘর্ষ চলছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি হুতিরা এসব এলাকা দখল করে নেয়, তাহলে দক্ষিণের রাজধানী এডেনের সাথে তাইজ শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে এবং তাইজে অবস্থানরত সউদী-সমর্থিত বাহিনী অবরুদ্ধ হয়ে পড়তে পারে।
এদিকে, বাব আল-মান্দাব প্রণালির দিকে নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ কাহবুবে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার, হুতিরা দাবি করেছে যে, তারা সউদী রাজধানী রিয়াদ এবং দেশটির তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটির মতে, ইয়েমেনে সউদী বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এসব হামলা করা হয়েছে। তবে সউদী কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক বিমান হামলার দায় স্বীকার করেনি এবং হুতিদের সউদী যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবিরও কোনো জবাব দেয়নি।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হুতিরা সম্প্রতি ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ লাভ করেছে, ফলে ওই নৌপথে তাদের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসাথে, তারা তাইজ ও মারিব প্রদেশে আরও এলাকা দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
২০১৪ সালে রাজধানী সানা দখলের পর থেকে হুতি ও ইয়েমেন সরকারের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। ২০২২ সালে ঘোষিত ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর জুলাইয়ে সউদী-হুতি সংঘাত আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে। সূত্র : দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন