প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার সন্ধ্যা নদীর চিরাপাড়া মোহনা ও লঞ্চঘাট এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে।
জব্দকৃত জালের মধ্যে সাড়ে সাত হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল এবং এক হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল রয়েছে। উদ্ধার করা এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ জালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
কাউখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,
"মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। বর্তমান প্রজনন মৌসুমে একটি মা ইলিশও যদি ডিম ছাড়ার সুযোগ পায়, তবে তা ভবিষ্যতে আমাদের ইলিশের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। কিন্তু কিছু অসাধু ও অসচেতন মৎস্যজীবী সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলে ইলিশ শিকারে মেতে ওঠে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছি। আজকের অভিযানে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের এই নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পুরো প্রজনন মৌসুমজুড়ে কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন