প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শরৎকালে অনুষ্ঠিত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব হল শারদীয় দুর্গা পূজা। ২০২৬ সালে দেবী দুর্গার আগমন উপলক্ষে চলতি মাসের ২০ তারিখ থেকে পাঁচদিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এই ছুটির সময় আপনার পরিবার নিয়ে ভ্রমণের জন্য পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া একটি চমৎকার গন্তব্য হতে পারে। তেঁতুলিয়া, যা মানচিত্রের শীর্ষে অবস্থিত, এর ভৌগলিক অবস্থানের জন্য দীর্ঘকাল ধরে সীমান্তঘেরা জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে বর্তমানে এটি পর্যটনের শহর হিসেবে পরিচিতি অর্জন করছে। পাহাড়, নদী, চা বাগান, ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ, রকস মিউজিয়াম এবং সীমান্ত স্থলবন্দর মিলিয়ে এখানে গড়ে উঠছে উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় পর্যটনকেন্দ্র। এই অঞ্চলের শান্ত পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনার ছুটিকে বিশেষ আনন্দময় করে তুলবে।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে তিনটি ট্রেন পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে সরাসরি চলাচল করছে। পঞ্চগড় সদর থেকে বাসের মাধ্যমে তেঁতুলিয়ায় পৌঁছানো খুব সহজ। এছাড়া, ঢাকা থেকে পঞ্চগড় বা সরাসরি তেঁতুলিয়ায় যাতায়াতের জন্য অসংখ্য দূরপাল্লার বাসের ব্যবস্থা রয়েছে।
কোথায় থাকবেন?
তেঁতুলিয়ায় পর্যটকদের জন্য বর্তমানে বেশ কিছু উন্নত মানের হোটেল ও রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। আপনি চাইলে তেঁতুলিয়া জেলা পরিষদের ডাকবাংলো বা বন বিভাগের রেস্ট হাউজে থাকতে পারেন। বেসরকারি রিসোর্টগুলোর মধ্যে গ্রিন টি ভ্যালি, মেঘকুঞ্জ এবং কাঠের বাড়ি বেশ জনপ্রিয়। এছাড়া, ইএসডিও, স্কয়ারসহ ভালো মানের বেশ কিছু আবাসিক হোটেল এবং বাসা ভাড়া পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
কোথায় কোথায় যাবেন?
জেলায় সমতল ভূমিতে বিস্তৃত মাইলের পর মাইল সবুজ চা-বাগান রয়েছে। এটি বাংলাদেশের একেবারে শেষ প্রান্ত বা সর্ব উত্তরের জিরো পয়েন্ট, যেখানে দাঁড়িয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দেখা যায়। মহা রাজারদিঘী, ঐতিহ্যবাহী গোলকধাম মন্দির, প্রাচীন পৃথু রাজার দিঘি, রকস মিউজিয়াম এবং মির্জাপুর শাহী মসজিদ এই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য স্থান। যদি আকাশ মেঘমুক্ত থাকে, তবে তেঁতুলিয়া থেকে হিমালয় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য সরাসরি দেখা যায়। তেঁতুলিয়া পুরাতন বাজারে শিশুদের জন্য পার্ক, চিলড্রেন রাইডস, খেলার মাঠ, ডাকবাংলোতে পিকনিক কর্নার এবং বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্টে দেশের সবচেয়ে উঁচু পতাকাস্তম্ভ তৈরি করা হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ পঞ্চগড় অঞ্চলের উপ পরিদর্শক আব্দুল আজিজ জানিয়েছেন, "পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য আমরা সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছি। তবে আমাদের জনবল কম থাকলেও থানা পুলিশের সাথে সমন্বয় করে কাজ চলছে। অপ্রীতিকর ঘটনার কোন সুযোগ নাই।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন