প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন এখন নতুন দিক নিয়েছে, যা ভোটার তালিকা সংশোধন ও কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে। ক্ষমতাসীন মোদি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়কার প্রতিবাদী গানগুলোও যোগ দিয়েছে।
গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ত্রিপুরা শাখার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, বিরোধী জোটের নেতা-কর্মীরা মোদি সরকারের বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভোট চুরির অভিযোগের বিরুদ্ধে স্লোগান ও মিছিল নিয়ে রাজপথে এগিয়ে যাচ্ছেন। মিছিলের আবহে বাংলাদেশের প্রতিবাদী গান ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’ শোনা যায়।
এই গানটি সংগীতশিল্পী মৌসুমী চৌধুরীর কণ্ঠে এবং ইথুন বাবুর গীতিকথা ও সুরে রচিত, যা মূলত ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের দমন-পীড়ন ও বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে খুনি হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনে গানটি নতুনভাবে প্রাণ পায় এবং আন্দোলনকারীদের কাছে এক প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে ওঠে।
গণতন্ত্র ও অধিকার রক্ষার তাগিদে রচিত এই প্রতিরোধ সুরের তীব্রতা এবার সীমানা ছাড়িয়ে ভারতীয় রাজনীতির উত্তপ্ত ময়দানেও প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন নাগরিক আন্দোলনের পর এবার বিরোধী জোটের কেন্দ্রীয় প্রতিবাদ কর্মসূচিতে গানটির এই সংযোজন কেবল ভারত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিবাদের বৈচিত্র্যকেই ফুটিয়ে তোলে না, বরং শাসকগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের একই সুর ও লড়াইকে নির্দেশ করে।
গানটি মূলত শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতার অপব্যবহার, কণ্ঠরোধ এবং স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভকে তুলে ধরে। গানে স্পষ্ট ও কড়া ভাষায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তির নিজস্ব সম্পত্তি কি না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন