প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবস্থাপনা, জীর্ণ ভবন এবং গুরুতর শিক্ষক সংকটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে শুরু হয়েছে, তা এখন তীব্র হিংসাত্মক রূপ ধারণ করেছে। রাজধানী প্যারিসসহ দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় হাজার হাজার শিক্ষার্থী নেমে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজপথে মোতায়েন করা হয়েছে দাঙ্গা পুলিশ। সংঘর্ষের ফলে দেশজুড়ে ৫০০টিরও বেশি বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
প্যারিস ও পঁতাঁ (Pantin) শহরের সড়কগুলোতে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড তৈরি করে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং ময়লার আবর্জনা ফেলার বিনগুলোতে অগ্নিসংযোগ করে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দাঙ্গা পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জের ব্যবহার করেছে। ফ্রান্সের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান এই সহিংসতার ফলে অন্তত ৬৫ জন স্কুলকর্মী ও শিক্ষক আহত হয়েছেন।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্যারিসে আন্দোলনটি শুরু হলেও তা দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, শ্রেণীকক্ষে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে শিক্ষা পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
এক বিবৃতিতে ১৬ বছর বয়সী এক ফরাসি শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যম বিবিসি-কে জানিয়েছেন, "আমরা চরম ক্ষুব্ধ। ফ্রান্সে স্কুলের পরিবেশ পরিবর্তন করতে হলে এখন জোরালো আওয়াজ তোলা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।"
অন্যদিকে, পরিস্থিতির জটিলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। ফ্রান্সের বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানাঁ বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, "শিক্ষার্থীদের সাধারণ বিক্ষোভ এখন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ও বিশৃঙ্খলায় রূপ নিয়েছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন