প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরায়েলের উত্তর অঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে ইরানের নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আঘাত হেনেছে বলে ইসরায়েলি ও সামরিক সূত্র থেকে জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নের জন্য তদন্ত শুরু করেছে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
রবিবার রাতে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে।
একটি ইসরায়েলি সূত্র এবং সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের একটি অংশ বা ধ্বংসাবশেষ উত্তর ইসরায়লের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটির একটি স্থাপনায় আঘাত করেছে।
এর আগে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করে যে তারা ইসরায়েলের উত্তর অঞ্চলে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তারা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচার করেছে, যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের দৃশ্য দেখানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক সূত্রের মতে, সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং সেটির একটি ভগ্নাংশ বা ধ্বংসাবশেষ বিমানঘাঁটির একটি ভবনে আঘাত করেছে। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কেমন হয়েছে কিংবা সামরিক সক্ষমতার ওপর কোনও প্রভাব পড়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
আইডিএফ জানায়, ঘটনাটি তদন্তাধীন এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার অবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তারা খতিয়ে দেখছে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কীভাবে হামলাটি প্রতিহত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। অতএব, সেখানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পৌঁছানো নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের তথ্য নিশ্চিত হয়নি, তথাপি এই ঘটনা ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের ক্রমবর্ধমান তীব্রতার আরেকটি ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও হুমকির মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠেছে। ফলে সংঘাত যাতে বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ না নেয়, সেজন্য আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগও বাড়ছে। সূত্র: সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন