প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় আদালত গ্রেফতার আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন, তিন দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে। জামিন আবেদন তার নামঞ্জুর করা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ প্রদান করেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন দীপ ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে ঘোরাফেরা, বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত এবং রেস্টুরেন্টে খাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব তিনি কৌশলে এড়িয়ে গেছেন এবং নীরবতা পালন করেছেন বলে পুলিশের দাবি।
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী উল্লেখ করেন, তারা রিমান্ড শুনানিতে কোনো জামিন আবেদন করেননি। আইনজীবী জানান, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ সব ধরনের তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রতিবার রিমান্ডে নেওয়ার পর চাঞ্চল্যকর তথ্য দেওয়ার কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে কাউকে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়ের অধিকার নেই। আসামির মানসিক অবস্থার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত। সব দিক বিবেচনা করে দীপের জামিনের আবেদন জানান আইনজীবী।
এর আগে, তিন দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে দীপকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, রিমান্ডে দীপ ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে ঘোরাফেরা, বিভিন্ন স্থানে যাওয়া এবং রেস্টুরেন্টে খাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব তিনি কৌশলে এড়িয়ে গেছেন এবং নীরবতা পালন করেছেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাহসিফকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান দীপ। এরপর তারা একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে যান। পরবর্তীতে জেরিকা তাসনিম দিশাকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর সিপি ফাইভ স্টারে নাশতা করেন। রাতে তারা উত্তরা নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে যান, যেখানে তিনজনই বিয়ার পান ও ধূমপান করেন। একপর্যায়ে জেরিকা বাসায় চলে যান।
পুলিশের আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৮ অক্টোবর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তাহসিফ ও দীপ টঙ্গীর মাজার বস্তিতে পৌঁছান। পরে তুরাগ নদীর তীরবর্তী একটি মাঠে যাওয়ার পর কয়েকজনকে দেখে তারা আলাদা হয়ে যান বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন দীপ।
সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনা ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দাবি করেছে, মৃত্যুর আগে তাহসিফকে সর্বশেষ দীপ ও জেরিকার সঙ্গে দেখা গেছে। রিমান্ডে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তদন্তের স্বার্থে গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন