প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্র বৃহস্পতিবার কিউবার ব্যাংকো ইন্টারন্যাশনাল দে কোমেরসিও এসএ (বিআইসিএসএ)’র ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা ইরানের একটি ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে করা হয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞা কিউবার ব্যাংকের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়েছে, কারণ এটি কারাফারিন ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্কিত। উল্লেখ্য, কারাফারিন ব্যাংক ২০২০ সাল থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, এই পদক্ষেপ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর মার্কিন প্রচেষ্টার অংশ।
ওয়াশিংটনের অভিযোগ, কিউবার বিআইসিএসএ ব্যাংক এবং কারাফারিন ব্যাংকের মধ্যে যোগাযোগ গত ২০২২ সাল থেকে রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিস্ট শাসিত কিউবাকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য বিভিন্ন ক্ষতিকর শক্তি ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্র, যাকে বিশ্বে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় সমর্থক বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র।’
এদিকে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে এই পদক্ষেপকে ‘আগ্রাসী’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, বিআইসিএসএ একটি সম্পূর্ণ বৈধ ব্যাংক এবং কিউবা ও বিশ্বের অন্যান্য দেশে ব্যাংকটির লেনদেনও সম্পূর্ণ বৈধ।
রদ্রিগেজ আরও বলেন, ‘এ পদক্ষেপের মাধ্যমে কিউবার জনগণের ওপর সর্বোচ্চ মাত্রার সম্মিলিত শাস্তি চাপিয়ে দেওয়ার এবং দেশটির অর্থনীতির সব ধরনের কার্যক্রমের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অপরাধমূলক সংকল্পের প্রতিফলন ঘটেছে।’
গত ২৯ জানুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসন কিউবাকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ‘হুমকি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা ও তেল অবরোধের মাধ্যমে কিউবার ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ ক্রমাগত বাড়িয়ে চলেছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ইরানের সঙ্গে আর্থিক সম্পর্কের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র ইরাকভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ফর ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ফাইন্যান্সের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দাবি, ব্যাংকটি ইরান এবং দেশটির কয়েকটি ব্যাংককে আর্থিক সেবা ও মার্কিন ডলারে লেনদেনের সুযোগ দিয়ে থাকে।
এ ছাড়া কয়েকটি ইরানি ব্যাংক, কোম্পানি ও ব্যক্তির বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন