প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল উল্লেখ করেছেন যে, আইন পেশার অনেকেই এখন শর্টকাট রাস্তায় অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়।
তিনি আজ প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনায় এসব কথা বলেন।
বিদায় সংবর্ধনায় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমাদের সিনিয়র আইনজীবীরা আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাচ্ছেন। সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, টিএইচ খান এবং সর্বশেষ ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের মতো সিনিয়র আইনজীবী মৃত্যুবরণ করছেন। তারা যে মানের আইনজীবী ছিলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই মানের আইনজীবী আমাদের মধ্যে নেই।
অন্যদিকে, এখনকার তরুণ আইনজীবীদের মধ্যে লেখাপড়ার যথেষ্ট অভাব দেখা যাচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে এই আইন অঙ্গনে একটি বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হবে। তাই, আমাদের সময় এসেছে এই শূন্যতা পূরণ করার জন্য এখনই ভূমিকা নিতে হবে।
আইন পেশায় সততা প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই পেশায় যদি সততা এবং অধ্যবসায় না থাকে তাহলে কেউ ভালো করতে পারে না। অনেকেই শর্টকাট রাস্তায় অর্থবিত্তের মালিক হতে চান, জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী নন। আমাদের সময় এসেছে একটি সৎ, যোগ্য এবং মেধাবী আইনজীবী সমাজ গড়ে তুলতে।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, আজকে বার এবং বেঞ্চের মধ্যে যে মেধার ঘাটতি রয়েছে, সে ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে আমরা যদি এখনই পদক্ষেপ না নিই তাহলে আমাদের সামনে অন্ধকার অপেক্ষা করছে।
দুই দশকের বেশি সময় বিচারিক দায়িত্ব পালনের পর আজ অবসরে গেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এরপর দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। সর্বশেষ, ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন