প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, "উন্নয়ন হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সবার জন্য।" তিনি উল্লেখ করেছেন, উন্নয়ন সম্ভব নয় যদি কাউকে পিছিয়ে রাখা হয়। সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছানো আবশ্যক। একই সঙ্গে, উন্নয়নকে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি হতে হবে, যাতে বর্তমান প্রজন্মের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এর সুফল ভোগ করতে পারে।
ঝালকাঠি জেলা পরিষদ সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত ‘ঝালকাঠি জেলার উন্নয়ন ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জিয়াউদ্দিন হায়দার আরও বলেন, জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের সময় স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোসহ সকল খাতের উন্নয়ন সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে।
তিনি বলেন, ঝালকাঠির সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। পর্যটনসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরো জোরদার করা প্রয়োজন।
জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা, সম্ভাবনা ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন, পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়না এবং প্রেসক্লাব সভাপতি অ্যাডভোকেট আককাস সিকদার। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা সভায় অংশ নেন।
সভায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা জেলার বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন