প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০১২ সালে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনা নিয়ে একটি শুনানিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নাম উঠে এসেছে। ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন জিয়াউলের সাবেক দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস। তার বক্তব্য অনুযায়ী, গুম এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডসহ সাতটি ঘটনাতে অন্তত ৩০ জনকে হত্যার বর্ণনা দেন তিনি।
রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ইমরুল কায়েস তার জবানবন্দি উপস্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গুমের পর হত্যার মতো কাজ করে টঙ্গীতে রেললাইনের ওপর লাশ ফেলে রাখা হয়েছে, জলদস্যুর নাটক সাজিয়ে সুন্দরবনের গহীন জঙ্গলে হত্যা হয়েছে এবং রাতে পোস্তগোলা বুড়িগঙ্গায় আসামিদের ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করতেন জিয়াউল আহসান। প্রত্যেকটি ঘটনার সময় জিয়াউলের সাবেক দেহরক্ষী উপস্থিত ছিলেন।
২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর নির্দেশে ইলিয়াস আলীকে জিয়াউল গুম করেছেন, এমন তথ্যও ইমরুল কায়েসের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। পরে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, গুম-খুনের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে জিয়াউল আহসানের পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে এসব অপরাধ জিয়াউল আহসানের আইনজীবী অস্বীকার করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন