প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাসে থাকা মো. খোরশেদ আলম দেশে ফিরে আসেন। তার মায়ের দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরদিন, চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে তার নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খোরশেদ আলম আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
বৃহস্পতিবার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘটনার বিচার এবং নিজের নিরাপত্তা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে খোরশেদ আলম জানান, তিনি ৪৯ বছর ধরে প্রবাসে বসবাস করছেন। গত ১৯ অক্টোবর তার মায়ের মৃত্যু হলে পরদিন তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং দাফন সম্পন্ন করেন। এরপর ২১ অক্টোবর দুপুরে চান্দগাঁও থানার মোহাম্মদনগর ফরিদারপাড়া হালদা রোড এলাকায় তার নির্মাণাধীন ভবনে হামলার ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২১ অক্টোবর বেলা আড়াইটার দিকে মকসুদুল আলমের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশ করেন। এ সময় ভবনের দারোয়ান শাহজাহানকে মারধর করা হয় এবং ভবনের সিঁড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে।
খোরশেদ আলমের দাবি, হামলাকারীরা ভবন থেকে ২৬৭ বস্তা সিমেন্ট, সাড়ে তিন টন রড এবং প্রায় দুই লাখ টাকার সেন্টারিংয়ের কাঠসহ মোট প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। এছাড়া ভাঙচুরের মাধ্যমে প্রায় তিন লাখ ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে খোরশেদ আলম বলেন, "আমরা রেমিটেন্স যোদ্ধারা প্রবাসে তিলে তিলে অর্থ উপার্জন করে দেশে পাঠাই। যদি দেশে এসে আমাদের নিজেদের সম্পত্তি ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত না থাকে এবং এর সুষ্ঠু বিচার না পাই, তবে দেশের রেমিটেন্স সেক্টর মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।" তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন