প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের উপকূলীয় ১৪টি জেলার ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের নিরাপত্তা, বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবেলা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছর (২০২৭-২৮) থেকে পাঁচ বছরের জন্য এই প্রকল্পটি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান অঞ্চলের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই প্রকল্পের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে ‘বাংলাদেশ স্ট্র্যাটেজিক ফ্লাড রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (ফ্লাড এমপিএ)’ এবং ‘কোস্টাল রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় বিভিন্ন প্রস্তাবিত কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। প্রকল্পটির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১৪টি উপকূলীয় জেলায় টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, সাইক্লোন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা; উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার প্রভাব মোকাবেলায় আধুনিক পানি শোধন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা; ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়িয়ে টেকসই পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; উপকূলীয় দুর্গত মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান জানান, উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা ও জীবিকা উন্নয়নে প্রকল্পটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও উন্নত জীবন নিশ্চিত করা এবং এ লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করা।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়া সহ মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন