প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা, ঐতিহাসিক টঙ্ক আন্দোলনের মহানায়ক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা কমরেড মণি সিংহের জীবন, সংগ্রাম ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শুরু হচ্ছে সাত দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ‘কমরেড মণি সিংহ মেলা’। আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এ মেলা।
মেলাকে ঘিরে এরই মধ্যে দুর্গাপুরে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে দুর্গাপুরের কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভা। মেলা উদযাপন কমিটির আয়োজনে সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মেলা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ডা. দিবালোক সিংহের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন সিপিবি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোরশেদ আলম। সভায় মেলার মাঠ প্রস্তুত, সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষা, প্রচার-প্রচারণা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তব্য দেন মেলা উদযাপন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অজয় সাহা ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম রফিকুল ইসলাম রফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ জামাল উদ্দিন মাস্টার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার এবং সিপিবি উপজেলা কমিটির সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট মানেশ সাহা, দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন ও কবি বিদ্যুৎ সরকার। সভায় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, প্রবীণ সাংবাদিক নির্মলেন্দু সরকার বাবুল, সাবেক প্রধান শিক্ষক বীরেশ্বর চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট সজয় চক্রবর্তী, সাংবাদিক ওয়ালী হাসান, জুয়েল রানা, আল আমীন হাওলাদারসহ মেলা উদযাপন কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা বলেন, কমরেড মণি সিংহের জীবন ও সংগ্রাম দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর আদর্শ, কৃষক-শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের স্বপ্ন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ মেলার গুরুত্ব অপরিসীম। মেলাটিকে সফল করতে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তাঁরা।
আয়োজকেরা জানান, সবার সহযোগিতায় মেলাকে সুশৃঙ্খল, আনন্দমুখর ও সর্বজনীন করে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের প্রত্যাশা, এবারের মেলাও দুর্গাপুরের ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক চর্চা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন