প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-১৭ আসনের কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক বস্তি এলাকায় পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে ১০ হাজার কোটি টাকার একটি আধুনিক আবাসন প্রস্তাব চীনের কাছে ইআরডির মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি জানান, চীনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সম্মতি প্রদান করা হয়েছে। এসব বস্তিতে বিশতলা ভবনে ছোট ছোট ইউনিট আকারে ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। এসব ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের জন্য ভাড়া ছাড়া শুধুমাত্র গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও সচিব মো. শহিদুল হাসান।
বৈঠকের পর প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের বিষয়ে চীনের সম্মতি পাওয়া গেছে। চীন বাংলাদেশে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বস্তি উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে চীনা প্রতিষ্ঠান 'সিএমইসি' এর মাধ্যমে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ চলছে। ২০২৮ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। আগামী ২ সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে এর চূড়ান্ত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ল্যান্ডফিলের বর্জ্য ব্যবহারের জন্য 'পাওয়ার চায়না' নামক প্রতিষ্ঠানের সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া, চীনের পক্ষ থেকে দাশেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের বাকি কাজ সম্পন্ন করতে ঋণ বা অনুদান আকারে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গুলশান, বারিধারা ও বনানী এলাকায় স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্ক যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ভবন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের ছাদে নেটিং মিটারের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়ে চীন বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বন্দর উন্নয়ন বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, মোংলা পোর্টের উন্নয়নেও চীন কাজ করবে। এ বিষয়ে মন্ত্রীর সাথে রাষ্ট্রদূতের আলোচনা হয়েছে। দ্রুততম সময়ে কাজ শুরু হবে এবং মোংলা পোর্টের সাথে চিটাগং পোর্টের একটি লিংকেজও তারা তৈরি করবে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন