প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া খুটাখালীতে যাত্রীবাহী জিটুগাড়ী (লেগুনা) এবং লাল সবুজ চেয়ার কোচের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় বাসের চাপায় ৪ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬ টায় কক্সবাজারের চকরিয়া থানাধীন খুটাখালি নয়াপাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সামশুজ্জামান দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন, চকরিয়ার খুটাখালী সেগুনবাগিচা গ্রামের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (২৫), ফুলছড়ি শিয়াপাড়ার মৃত মনজুর আলমের ছেলে মো. শাহেদ (২৭), ইদগাঁও উপজেলার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোহাম্মদ রফিক (২৮) এবং আমিনুল হকের ছেলে মো. জিয়াবুল হক (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে নোয়াখালী সদর থেকে ছেড়ে আসা লাল সবুজ পরিবহনের একটি বাস কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিলো। অপরদিকে, ইদগাঁও থেকে যাত্রী নিয়ে একটি লেগুনা চকরিয়ার দিকে রওনা দেয়। পথে খুটাখালী নয়াপাড়ায় পৌঁছানোর পর বাসটি লেগুনাটিকে সজোরে চাপা দেয়। এ ঘটনার ফলে লেগুনাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ভেতরে থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসারত অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে শাহেদ, রফিক ও জিয়াবুলের মৃত্যু ঘটে।
অন্যদিকে, মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জসিম উদ্দিন।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওসমান গনি জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও লেগুনা জব্দ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন