প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চার মাসের দীর্ঘ রুদ্ধশ্বাস স্মৃতি ভুলে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ জাহাজ ছাড়ছেন তাদের ক্যাপ্টেন ও চিফ ইঞ্জিনিয়ারসহ ১৭ জন নাবিক।
দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান বন্দরের থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে আজ ১৬ জন একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ক্যাপ্টেন মো. শফিকুল ইসলামসহ ১৬ জন এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। তবে, তাদের মধ্যে চিফ ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান দেশে ফিরছেন না, তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে প্রায় চার মাস ধরে আটকা পড়েছিলেন বাংলার জয়যাত্রা জাহাজে থাকা ৩১ নাবিক ও ক্রু। এ ঘটনায় ১৭ জন দায়িত্ব বুঝিয়ে ডারবান বন্দরে অব্যাহতি নিয়ে যান।
চিফ ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান জানান, তারা দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধকালীন রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির মুখোমুখি ছিলেন। इस কারণে অনেক নাবিক মানসিক চাপ অনুভব করছেন। ৩১ নাবিকের মধ্যে প্রথম দফায় ১৭ জন নাবিক বন্দর থেকে অব্যাহতি নেন। তাদের পরিবর্তে ১৫ জন নতুন নাবিক জাহাজের দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যেও তারা জাহাজটি সফলভাবে দক্ষিণ আফ্রিকায় নিয়ে যাওয়ার কাজটি সম্পন্ন করেন।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক জানান, ডারবান বন্দরে পণ্য খালাস করার পর সেখানে জাহাজে চিনি বোঝাই করা হবে। পরে জাহাজটি মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।
গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাল্ক ক্যারিয়ার এমভি বাংলার জয়যাত্রা। তারা চোখের সামনে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মতো ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক জাহাজ ও নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হন। দীর্ঘ কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রচেষ্টার পর গত ২২ জুন হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি পেয়ে জাহাজটি মুক্ত হয়। এরপর এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর হয়ে গত ১৬ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান বন্দরে নিরাপদে নোঙর করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন