প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরশহরকে যানজটমুক্ত ও সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য নিরাপদ করার লক্ষ্যে একটি ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানে ফুটপাত ও ড্রেন দখল করে গড়ে ওঠা পাঁচ শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং ভাসমান স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অপরাধে ৫টি মামলায় ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও চকরিয়া পৌরসভার প্রশাসক শাহীন দেলোয়ার। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পৌরসভার প্রায় শতাধিক কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
অভিযানের সময় সহযোগিতা প্রদান করেন চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিউল আলম। উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান, পরিদর্শক (তদন্ত) মাছুম আহমেদ এবং পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডা. লোকমান হাকিম।
পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ চিরিঙ্গা বাজার, ওয়াপদা সড়ক এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উভয় পাশে গড়ে ওঠা অননুমোদিত শেড, চৌকি ও অন্যান্য অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করার ফলে দীর্ঘদিন পর ফুটপাতগুলো পথচারীদের চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও হকার প্রধান সড়কের ফুটপাত এবং ড্রেনের ওপর পসরা সাজিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন। ফলে পথচারীদের মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হতে হতো। এর ফলে একদিকে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছিল, অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছিল। আজকের এই অভিযানে সাধারণ পথচারী ও অভিভাবকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিউল আলম জানান, অবৈধ দখল ও নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে সড়ক পরিবহন আইন, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫টি মামলায় মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক শাহীন দেলোয়ার মন্তব্য করেন, “জনসাধারণের চলাচলের পথ অবরুদ্ধ করে ব্যবসা পরিচালনা করা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে পুরো পৌরশহরকে পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদকৃত স্থানগুলো যেন পুনরায় দখল না হয়, সেজন্য কঠোর নজরদারির পাশাপাশি নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন