প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ, যা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামলার অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ মতো উল্লেখ করেছে তেহরান। এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব অভিযোগ দুই দেশের প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করে।
এর আগে মঙ্গলবার, সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ তোলে যে, তাদের জলসীমায় চলাচলকারী জাহাজের লক্ষ্য করে ইরান দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বরাতে জানানো হয় যে, একটি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের জলসীমার বাইরে এবং আরেকটি ভেতরে সাগরে পড়েছে।
এই ঘটনার পরপরই আমিরাত সরকার ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও আর্থিক লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিতের ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের ফোনে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।
আমিরাতের পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এমনিতেই বেশ জটিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অপতৎপরতা এই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এমন সময়ে তেহরানের ওপর মিথ্যা দোষারোপ থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোকে বিরত থাকা উচিত।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করলেও ইরান একটি বড় হুঁশিয়ারি প্রদর্শন করেছে। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্থায়ী শান্তিচুক্তিতে না পৌঁছানো পর্যন্ত কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ রাখা হবে।
উল্লেখ্য, আমিরাতের বন্দরগুলো থেকে পণ্যবাহী জাহাজ বের হওয়ার একমাত্র পথ হলো এই হরমুজ প্রণালি। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘অ্যাডনক’-এর কয়েকটি ট্যাংকার বাধার মুখে পড়েছে। ফলে, এই জলপথ বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন