প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সউদী আরবে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলামের (২৫) বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। তার বাবা আব্দুল বাছির ছেলের মৃত্যুর শোকে মুহ্যমান। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তার পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। নজরুলের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিরামপুর গ্রামে অবস্থিত।
পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ, আইনি সহায়তা নিশ্চিত না করে এবং বাংলাদেশ সরকারকে না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে নজরুলের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।
এদিকে, গত ১৪ অক্টোবর রাতে নজরুলের মৃত্যুর খবর শুনে তার ফুফু আবেদা বেগম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিরামপুর গ্রামের আব্দুল বাছির ও রহিমা বেগম দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে সবার বড় ছিলেন নজরুল ইসলাম। পরিবারের অভাব-অনটন দূর করতে ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর সৌদি আরবে পাড়ি জমান নজরুল। সেখানে মক্কায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ নেন। তবে সউদী আরব যাবার ৬ মাসের মধ্যেই সেখানকার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে মসজিদের ভেতর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত।
নজরুলের মা রহিমা বেগমের দাবি, যে মেয়ের সঙ্গে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সঠিক নয়। এছাড়া সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাসও কোনো সহযোগিতা করেনি। তিনি দ্রুত তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ জানিয়েছেন, নজরুলের মরদেহ বাড়িতে আনতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে জেলা প্রশাসন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন