প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান এনসিপিকে জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে রাশেদ খান তার ফেসবুক পেজে এই বিষয়ে একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য এনসিপিকে সাধুবাদ জানাই।" এনসিপির ভাই ব্রাদারদের মধ্যে কেউ কেউ জানিয়েছেন, যদিও এখনই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবে এনসিপি জামায়াত জোট থেকে শীঘ্রই বের হয়ে আসবে, যা একপ্রকার পিসফুল ডিভোর্সের মতো। আজকের গণবিক্ষোভ কর্মসূচি ও আসিফ মাহমুদের বক্তব্য শুনে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।
গণবিক্ষোভে ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের পক্ষে তেমন কোনো বক্তব্য দেখা যায়নি। ইতিবাচক দিক হলো, অনেক দিন পর এনসিপির আজকের গণবিক্ষোভে কয়েক হাজার লোক উপস্থিত হয়েছিল। জামায়াতের সাথে জোট করার পর থেকে এনসিপির কর্মসূচিতে লোকসমাগম কমে গিয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর হাজারের উপরে লোকের উপস্থিতি এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির জন্য আশাব্যঞ্জক।
এভাবে যদি এনসিপি স্বতন্ত্র রাজনীতি চালিয়ে যেতে পারে, তাহলে আগামী এক বছরের মধ্যে তারা একটি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। এবং আওয়ামী শূন্যতা পূরণে সক্ষম হবে।
এভাবে কাজ করতে থাকলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধীদল হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। এনসিপি বারবার সেই স্বপ্নের কথা বলছে। তবে জামায়াতের পকেটে থাকলে প্রধান বিরোধীদল হওয়া সম্ভব নয়। এই উপলব্ধি এনসিপির অনেকের মধ্যে প্রবল হওয়ায় আজকের এই স্বতন্ত্র কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তবে এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এনসিপির ৮ জন এমপি। তারা আগামীবারও জামায়াতের ভোটে এমপি হতে জোটের রাজনীতি ধরে রাখতে চান। তবে এনসিপির অধিকাংশ সদস্য স্বতন্ত্র রাজনীতির পক্ষে। দেখা যাক, প্রাথমিক সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত হয়, নাকি এনসিপি জামায়াতের পকেট সংগঠন হিসেবেই থেকে যায়। পরিশেষে, এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির প্রতি শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন