প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার মেসার্স আশা ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত দিনে সার নিতে ভোর ৫টা থেকে দোকানের সামনে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক কৃষক সার পাননি। তাঁদের অভিযোগ, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষকদের সার না দিয়ে দোকানের ভেতরে গোপন পথে প্রবেশকারীদের সার দেওয়া হয়েছে। পরে জানানো হয়, সার শেষ হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন অপেক্ষমাণ কৃষকেরা।
ভুক্তভোগী কৃষকদের ভাষ্য, সার পাওয়ার আশায় তাঁরা ভোর থেকেই দোকানের সামনে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু সার বিতরণের মাত্র পাঁচ মিনিট আগে তাঁদের নতুন করে অন্য একটি লাইনে দাঁড়াতে বলা হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁরা নতুন লাইনে দাঁড়ালেও অভিযোগ রয়েছে, ওই লাইনে থাকা কৃষকদের সার না দিয়ে অন্য পথে আসা লোকজনকে সার দেওয়া হচ্ছিল। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ডিলার জানালে কৃষকেরা হতাশ হয়ে পড়েন। তাঁদের চোখেমুখে ক্ষোভ ও হতাশা ফুটে ওঠে।
কৃষকদের অভিযোগ, কৃষিকাজের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সার সংগ্রহ করতে এসে এ ধরনের ভোগান্তির শিকার হওয়ায় তাঁদের চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাঁরা দাবি করেছেন, সার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রকৃত কৃষকেরা যাতে নিয়ম অনুযায়ী সার পান, সে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ বিষয়ে মেসার্স আশা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুল আজিজ বলেছেন, "সার ছিল, কাল দেওয়া হবে। আজ ভিড়ের কারণে সবাইকে সার দেওয়া সম্ভব নয়।"
উপজেলা কৃষি অফিসার কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কৃষকদের দাবি, সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে প্রকৃত কৃষকেরা হয়রানি ছাড়াই সার পেতে পারেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন