প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর গুলশানে বর্জ্য অপসারণের কাজের জন্য ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে শীর্ষ সন্ত্রাসী রবিন-ডালিম-মাহবুব গ্রুপের বিরুদ্ধে। চাঁদা না পাওয়ার কারণে গুলশান সোসাইটির কার্যালয়ে ঢুকে অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগও রয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ২২ মিনিটে গুলশানের ১৩০ নম্বর রোডে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশায় করে চারজন আসেন। রিকশা থেকে নেমে তারা সবাই মিলে কথা বলেন। এরপর পায়ে হেঁটে এগিয়ে আবারও রিকশায় উঠে ১০৩ ও ৪ নম্বর রোডে এসে মিলিত হন এবং সেখানে আলোচনা করেন। এর পর তিনজন গুলশান সোসাইটির অফিসে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর তারা বেরিয়ে আসেন।
গুলশান সোসাইটির পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গুলশান সোসাইটির বর্জ্য অপসারণের কাজ করতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রবিন-ডালিম-মাহবুব গ্রুপের পরিচয়ে গত সেপ্টেম্বর থেকে তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় অফিসে অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে।
অভিযুক্তরা শুধু হুমকি দিয়েই থেমে থাকেনি। তারা গুলশানের বিভিন্ন বাসায় রুবি এন্টারপ্রাইজ নামের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের লিফলেট বিলি করেছে। এই লিফলেটে বর্জ্য অপসারণের দাবি করে টাকা চাওয়া হয়েছে।
গুলশানের বর্জ্য অপসারণ নিয়ে খোঁজ নিতে উত্তর সিটি করপোরেশনে যাওয়া হয়। প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই গুলশানের গৃহস্থালির বর্জ্যের কাজ গুলশান সোসাইটিকেই দেয়া হয়েছে।
অনুমতি থাকার পরও গুলশানের মতো কূটনৈতিক এলাকায় চাঁদা দাবির ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। গুলশানের বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে শনাক্ত করা হয় এবং পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এ ধরনের ঘটনার পর গুলশান সোসাইটির অফিসে পুলিশি পাহারা বসানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন