প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশে চলমান পোশাক শ্রমিক বিক্ষোভের পরিস্থিতির ওপর ভারত নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত নদী ও পানিবণ্টন ইস্যু সমাধানের জন্য প্রতিষ্ঠিত দ্বিপাক্ষীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়টিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
এনএনআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জয়সওয়াল।
বাংলাদেশে চলমান বিক্ষোভ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের কথা বললে, আমি আগেও যেমন বলেছি, আমরা চাই বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক গড়ে উঠুক। এটিই আমাদের প্রত্যাশা এবং এর জন্যই আমরা কাজ করতে চাই।’
জয়সওয়াল মন্তব্য করেন যে, ভারত বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং বলেন, ‘সেখানে নানা ঘটনাপ্রবাহ ঘটছে এবং আমরা সেগুলো অনুসরণ করছি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী এবং গঠনমূলক সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে চাই।’
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যৌথ পানিসম্পদ সম্পর্কিত যে কোনো আলোচনা নির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমেই এগিয়ে যাবে। আমি আগেও বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গা নদীসহ সব সীমানাবিহীন যৌথ নদীর বিষয়ে আলোচনার জন্য এটিই একমাত্র নির্ধারিত কাঠামোবদ্ধ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা।’
নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে আসন্ন উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক সফরের বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের প্রতি ভারতের একটি স্থায়ী আমন্ত্রণপত্র বা নিমন্ত্রণ বহাল রয়েছে।
জয়সওয়াল জানান, ‘আমরা এরইমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এ বিষয়ে কোনো নতুন অগ্রগতি হলে আপনাদের জানানো হবে।’
ব্রিফিংয়ে বিজনেস ইন্ডিয়ার এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সম্প্রতি ঢাকায় এনসিপির একটি প্রতিবাদ সমাবেশে প্রচুর ভারতবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে ভারতের কোনো বক্তব্য আছে কিনা?
জবাবে জয়সওয়াল বলেন, আমরা সেখানে উদ্ভূত এই ঘটনাপ্রবাহগুলোর ওপর নজর রাখছি।
ডেকান ক্রনিকলের এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মোহাম্মদ রশীদ খানের একটি বক্তব্যে বলা হয়েছে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নাকি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং জামায়াতের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছে। জামায়াত ও আওয়ামী লীগ মিলে নাকি বাংলাদেশে অভ্যুত্থান ঘটানোর পরিকল্পনা করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টিকে কীভাবে দেখছে?
জবাবে জয়সওয়াল বলেন, আপনি যে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাচ্ছেন সে বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন