প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে একটি রোগীর শরীরে কাঁচের টুকরো রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম "স্যরি" বলেছেন।
জানা গেছে, সাইদার আলী নামে এক ব্যক্তির হাত ভাঙা কাচের আঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার পর ৩৫ দিন পর অন্য ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দুটি কাচের টুকরো অপসারণ করা হয়। গত ৩০ অক্টোবর কুড়িগ্রামের সেবা ক্লিনিকে এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে সচেতন মহল প্রশ্ন তুলছেন।
উপজেলার মজিদেরপাড় এলাকার খয়রুদ্দিনের ছেলে সাইদার আলী পেশায় একজন অটোরিকশাচালক। তিনি ২৫ সেপ্টেম্বর তার নিজ ঘরের সামনে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জে দেন। চার্জ চলাকালীন তার স্ত্রী ও সন্তান রিকশার বডির সঙ্গে ইলেকট্রিক শকে আটকে যায়। স্ত্রী-সন্তানের প্রাণ বাঁচাতে তিনি ইলেকট্রিক মেইন সুইচ বন্ধ করতে যান।
এ সময় আলমারীর গ্লাসে ধাক্কা লেগে তার বাম হাত মারাত্মকভাবে যখম হয়। পরে স্বজনরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ওয়ার্ডবয়রা তার হাতের ক্ষত স্থান না দেখেই সেলাই করে তাকে বিদায় দেন।
সাইদার আলী মাসেরও বেশি সময় ধরে বাম হাতে প্রচণ্ড যন্ত্রণা ও শারীরিক কষ্টে দিনাতিপাত করছিলেন। পরবর্তীতে কোনো উপায় না পেয়ে এবং হাত নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলে তিনি কুড়িগ্রামের সেবা ক্লিনিকে ভর্তি হন। সেখানে এক্স-রে করে জানা যায় যে, শরীরের ভেতরে দুটি কাচের টুকরো রেখেই সেলাই করা হয়েছে। প্রায় ৩৫ দিন পর অস্ত্রোপচার করে হাতের ভেতর থেকে সেই কাচের টুকরো দুটি বের করা হয়।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আমিনুল ইসলাম জানান, "ওটা ভুলবশত হয়ে গেছে। স্যরি। আমি এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন