প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী আন্তনগর ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ সম্প্রসারণ করে কক্সবাজার পর্যন্ত চালু করা হয়েছে। নতুন রুটে ট্রেনটির নিয়মিত চলাচল সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত থেকে শুরু হয়েছে। ফলে বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সোমবার রাতে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে মহানগর এক্সপ্রেসের বর্ধিত রুটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
বর্ধিত রুটে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কুমিল্লা স্টেশনে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৭২১/৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। পথে রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছে ২০ মিনিট বিরতি শেষে রাত ৩টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করবে।
ফিরতি পথে ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। সেখানে ২০ মিনিট বিরতির পর দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীতে পৌঁছাবে।
ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ রোববার। এর বেইস স্টেশন নির্ধারণ করা হয়েছে কক্সবাজার। নতুন রুটে ট্রেনটিতে আধুনিক কোরিয়ান কোচও যুক্ত করা হয়েছে।
বর্তমানে ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস নামে দুটি নন-স্টপ আন্তনগর ট্রেন চলাচল করছে। এই ট্রেন দুটি ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম ছাড়া মাঝপথের অন্যান্য স্টেশনে থামে না।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী প্রবাল এক্সপ্রেস ও সৈকত এক্সপ্রেস বিভিন্ন মধ্যবর্তী স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। এ অবস্থায় মহানগর এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণের ফলে নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনী অঞ্চলের যাত্রীদের কক্সবাজার যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর থেকে রুট সম্প্রসারণের আদেশ কার্যকর হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন