প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মহাসড়কে প্রতি রাতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। এমনকি দিনের বেলাতেও প্রকাশ্যে ঘটছে ছিনতাই। এর ফলে যাত্রীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সিএনজি অটোরিকশা ও মিশুক চালকের ছদ্মবেশে নারীদের টার্গেট করে ছিনতাই করা হচ্ছে। দিন-দুপুরে ঘটে যাওয়া ছিনতাইয়ের কারণে মহাসড়কে চলাচলকারী নারী যাত্রী ও জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বেড়ে গেছে।
জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ দৈনন্দিন কাজে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাতায়াত করেন। স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতের জন্য সিএনজি অটোরিকশা ও মিশুক অন্যতম সহজ মাধ্যম। চালক বেশে যাত্রী উঠিয়ে নির্জন স্থানে পৌঁছালে, সেই চালকরাই ছিনতাইকারী হয়ে উঠছেন। কিছু ঘটনার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন যে, চালকের সঙ্গে সহযোগীও ছিল।
গত ১৮ অক্টোবর দুপুরে, মিশুক নিয়ে রোগী দেখতে ট্রেনিং সেন্টার থেকে হাড়িসর্দার এলাকায় যাচ্ছিলেন চৌদ্দগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জিনিয়া জামান। পথিমধ্যে মহাসড়কের অফবিট হোটেলের সামনে পেছন থেকে আসা সিএনজি অটোরিকশা থেকে তার হাতে থাকা ব্যাগ টান দিয়ে নিয়ে যায়। এতে অন্তঃসত্ত্বা ওই চিকিৎসক পড়ে আহত হন।
গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে ছিনতাইয়ের শিকার হন হাছিনা বেগম নামের অপর এক নারী। সিএনজিতে থাকা চালক ও যাত্রীবেশে ছিনতাইকারী চক্র তাকে অজ্ঞান করে মহাসড়কের ফালগুনকরা দিঘী ও মাজারের মাঝামাঝি একটি নির্জন স্থানে মারধর করে তার দুটি কানের দুল, মোবাইল ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। ওই নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়।
মিয়াবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নিরঞ্জন কুমার বলেন, ‘মহাসড়কে আমাদের টহল জোরদার করা হয়েছে, হাইওয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত আছে। মহাসড়কে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে টহল টিমকে আরো সক্রিয় করা হয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফ হোসাইন এসব ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, ‘প্রায়ই কিছু কিছু সিএনজি অটোরিকশার মধ্যে লোক বসে থাকে এবং পথের মধ্যে যাত্রী উঠিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। আমরা এসব অবৈধ সিএনজি-অটোরিকশা ও চালক যারা এসব কাজে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযানে নামি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন