প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ শহরের নিকটবর্তী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সাবির পাহাড়ের একটি অঞ্চল হুথিদের দখলে চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই পাহাড় থেকে পুরো তাইজ শহরের ওপর নজর রাখা সম্ভব। ফলে হুথিদের অবস্থান সেখানে শক্তিশালী হলে শহরটির নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সামরিক অবস্থান বড় ধরনের চাপে পড়তে পারে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদক ইউসেফ মাওরি সানা থেকে জানিয়েছেন, তাইজের আশপাশে হুতিদের অগ্রযাত্রা রোধ করতে সৌদি আরবের বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। শহরটির নিকটবর্তী পৌঁছানোর লক্ষ্যে হুথিরা তাদের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে।
বাব আল-মান্দেব ঘিরেও সংঘাত
হুতিরা ইতোমধ্যে মোচা শহর এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিকটবর্তী ধুবাব জেলা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। তবে ওই অঞ্চলে সংঘর্ষ এখনো অব্যাহত রয়েছে। সৌদি আরবের বিমান সহায়তায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের বাহিনী ধুবাব ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশে কিছু অগ্রগতি অর্জন করেছে। এই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত ইয়েমেনের চলমান যুদ্ধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
সাবির পাহাড় কেন গুরুত্বপূর্ণ
মোচা শহরের পূর্বদিকে এবং তাইজের দিকে অবস্থিত সাবির পাহাড়ের অবস্থান সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড়টির ওপর থেকে তাইজ শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। ফলে সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে শহরের দিকে অগ্রসর হওয়া কিংবা প্রতিপক্ষের অবস্থানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা সহজ হতে পারে।
পাহাড়ি এলাকার সব কটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হুথিদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেলে তাইজ শহর দখলের পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। শহরটি হারানো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের জন্য একটি বড় ধরনের সামরিক ও রাজনৈতিক ধাক্কা হবে।
তবে সাবির পাহাড়ের পুরো এলাকা হুথিদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে কিংবা তাইজ শহর তাদের দখলে আসন্ন—এমন কোনো চূড়ান্ত তথ্য প্রদান করা হয়নি। সংঘর্ষের পরিস্থিতি এবং উভয় পক্ষের সামরিক অবস্থানের পরিবর্তনের ওপরই পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন