প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফরিদপুরের একটি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
ভাইরাল হওয়া ২০ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক নজরুল ইসলামের পরিচালিত কোচিং সেন্টারের ভেতর ওই ছাত্রীর সঙ্গে তাকে আপত্তিকর অবস্থায় রয়েছে।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা তীব্র নিন্দা জানান এবং ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
অভিভাবকদের মতে, বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে রেখেছে। এখানে যুগের পর যুগ হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে আসছে। हाल ही में শিক্ষাঙ্গনে কিছু শিক্ষকের কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয়টির সুনাম অক্ষুণ্ণ এবং নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হায়দার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, "নজরুল ইসলাম আমাদের বিদ্যালয়ের একজন খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার আপত্তিকর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে তাকে স্কুল থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। তাছাড়া যে ঘটনাটি ঘটেছে তা আমাদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নয়, বরং তার নিজস্ব পরিচালিত একটি কোচিং সেন্টারে। তারপরও যেহেতু শিক্ষকের সঙ্গে একজন ছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, সেজন্য তাকে শাস্তিমূলকভাবে বিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করেছি।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন