প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত উন্নতির ফলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি আশঙ্কা করছেন যে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি ভুয়া ছবি এবং আসল ছবির মধ্যে পার্থক্য করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এর ফলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও অধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি বাড়ছে।
সম্প্রতি এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ ‘দ্য মেকিং অব আ মডার্ন স্টার’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃতি তাঁর ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "এআই তাঁকে ভয় পাইয়ে দেয়।" তবে এই অভিনেত্রী প্রযুক্তিটিকে পুরোপুরি নেতিবাচকভাবে দেখেন না। তাঁর মতে, এআই একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, কিন্তু এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। হাতিয়ার যত শক্তিশালী হয়, অসতর্ক ব্যবহারে বিপদের আশঙ্কাও তত বাড়ে।
প্রযুক্তির উন্নয়ন ও নতুন উদ্ভাবনকে সমর্থন করার পাশাপাশি কৃতি মনে করেন, এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনকানুনও আধুনিকীকরণ প্রয়োজন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এআই দিয়ে কী ধরনের কাজ করা সম্ভব এবং সেসব মোকাবিলায় সমাজ কতটা প্রস্তুত। বিশেষ করে ব্যক্তিগত ছবি ও পরিচয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে কার্যকর আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।
কৃতির মতে, বর্তমানে এআই দ্বারা তৈরি ছবি এতটাই বাস্তবসম্মত হয়ে উঠেছে যে সাধারণ মানুষের পক্ষে সেগুলো শনাক্ত করা কঠিন। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আরও কতটা উন্নত হবে, তা নিয়েও তাঁর উদ্বেগ রয়েছে। এজন্য প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি অপব্যবহারের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরেন কৃতি। উদাহরণ হিসেবে ইনস্টাগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এআই দ্বারা তৈরি নিজের ভুয়া ছবি সরানোর জন্য অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ও কার্যকর বিকল্পের অভাব রয়েছে। তাঁর মতে, প্রযুক্তি দ্রুত এগিয়ে গেলেও ব্যবহারকারীদের অধিকার রক্ষার ব্যবস্থা সেই গতিতে উন্নত হচ্ছে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন