প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘দেশ ও জনগণের জন্য অবিরাম ছুটে চলা’—এই স্লোগানের আওতায় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন গত ৪৮ ঘণ্টায় ১৪টি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কর্মসূচিগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম দিনে, অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯টায় সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত হন প্রতিমন্ত্রী। দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেখানে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করেন। এদিন তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ধলই ইউনিয়নের কাটিরহাট বাজারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের গুপ্ত হামলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে অংশ নেন। এরপর তিনি মাটিরাঙ্গা উপজেলার নতুন পাড়া জামে মসজিদের উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ওই উপজেলায় তপ্ত মাস্টার পাড়া এলাকায় নবনির্মিত ব্রিজের উদ্বোধন করেন। এরপর খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মিলনায়তনে আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন কার্যক্রম ইত্যাদি নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সভা করেন প্রতিমন্ত্রী।
আরো পড়ুন
স্থানীয় সরকার বিভাগের জরুরি নির্দেশনা, সব উপজেলায় চিঠি
প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়ি টাউন হলে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়াসামগ্রী ও নারীদের হাতে সেলাইমেশিন বিতরণ করেন। খাগড়াছড়ি সদরের গিরিপুর এলাকায় ‘গিরিপুর শিশুসদন ছাত্রাবাস’ উদ্বোধন করেন। জেলার ২ নম্বর কমলছড়ি ইউনিয়নের বেতছড়ি মুখ এলাকায় বেতছড়ি মুখ খালের ওপর গার্ডার ব্রিজ উদ্বোধন করেন। দীঘিনালার হাজাছড়া জোড়া ব্রিজ এলাকায় জোড়াব্রিজ নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড নির্মিত ‘কংলাক পাহাড়ে ওঠার নবনির্মিত সিঁড়ি উদ্বোধন করেন। সাজেকে সোলার প্রযুক্তির মাধ্যমে গৃহস্থালীতে পানি সরবরাহ ও কৃষি সেচ সুবিধা বৃদ্ধি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী রাঙামাটি জেলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন। সর্বশেষ, চট্টগ্রামের বায়োজিদ থানা এলাকায় পলাতক ও পরাজিতদের সম্মিলিত নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বায়োজিদ থানা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।
এই ১৪টি কর্মসূচির মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে সড়কপথে যাতায়াতের দূরত্ব বাড়তে বাড়তে শেষ কর্মসূচিতে মোট ৪৬০ কিলোমিটারে পৌঁছায়। গত ৪৮ ঘণ্টায় ১৪টি কর্মসূচি এবং ৪৬০ কিলোমিটার সড়কপথে যাতায়াতের মাধ্যমে ব্যস্ত সময় কাটান মীর হেলাল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন