প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ট্রাইব্যুনাল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু, দীপু মনি, শাজাহান খান, ফারুক খান, আব্দুর রাজ্জাকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করেছেন। পলাতক আসামী মির্জা আজমের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলার অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে আমলে নেয়।
মিরপুর ও উত্তরাসহ সারা দেশে ছাত্র-জনতার ওপর এই সাত প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, উসকানি ও ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম জানান, সুপরিকল্পিতভাবে পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঠে নামিয়ে এ দমনপীড়ন চালানো হয়।
তিনি আদালতকে আরও জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় আমির হোসেন আমুর ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে পাঁচ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। আসামিরা সবাই মিলিতভাবে আন্দোলন দমনে উসকানি ও হত্যাযজ্ঞের মূল নির্দেশদাতা হিসেবে কাজ করেছেন।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপী শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করে। এর মধ্যে কারাগারে থাকা ছয়জনকে আগামী ২২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, মামলার অন্যতম আসামী মির্জা আজম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন